বিগত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত সন্দেশখালি। সেখানকার মহিলারা প্রতিবাদ গড়ে তুলেছেন তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। শ্লী’ল’তা’হা’নি, যৌ’ন নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন তারা। সন্দেশখালির ১৯ জায়গায় জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এরই মধ্যে রাজ্য পুলিশের অধীনস্থ এক উচ্চ পর্যায়ের কর্তার দাবী, সন্দেশখালিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। মহিলাদের উপর যৌ’ন নির্যাতনের কোনও অভিযোগ নেই সেখানে। ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
কী জানাল রাজ্য পুলিশ?
রাজ্য পুলিশের কথায়, জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা সন্দেশখালির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। তারা রিপোর্টে জানিয়েছেন যে স্থানীয় মহিলাদের উপর যৌ’ন নির্যাতনের কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি সেখানে। পুলিশের তরফে এও জানানো হল যে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত যা যা অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, তা যদি সত্যি হয়, তাহলে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্তা বলেন, “অনেকদিন ধরেই সন্দেশখালির পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। নিয়ন্ত্রণেই আছে। পরিস্থিতি আরও একটু ভাল হোক, এটাই চাইছে রাজ্য সরকার ও পুলিশ। সবরকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনেক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে”।
তিনি এও বলেন, “সবাইকে অনুরোধ, ভাল থাকুন, কোনও ঝামেলায় জড়াবেন না। যাঁরা ঝামেলা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে”।
প্রসঙ্গত, তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তাঁর দুই সাগরেদ শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখিয়ে আন্দোলন করেন সন্দেশখালির মহিলারা। পোল্ট্রি ফার্ম, বাগানবাড়ি জ্বালিয়ে দেন তারা। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে শ্লী’ল’তা’হা’নি, শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ করেন তারা। তাদের রাতবিরেতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হত বলে অভিযোগ করেন তারা। সেই ঘটনা থেকেই ফেরার শিবু হাজরা।
এই নানান অভিযোগের সমাধানসূত্র খুঁজতে রাজ্য সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। ডিআইজি পদমর্যাদার মহিলা পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে ওই কমিটি। সেই কমিটি সন্দেশখালিতে ঘুরে ঘুরে এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে রিপোর্ট তৈরি করছেন।





