রাজ্যের ১০০ শতাংশ বুথ‌ই স্পর্শকাতর! দখল নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশন কর্তাদের

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোট করার লক্ষ্যে কমিশন। বাংলা সঙ্গে সঙ্গে দেশের আরও চার রাজ্যের ভোট হচ্ছে। কিন্তু সর্বোচ্চ দফায় ভোট হচ্ছে বঙ্গে। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গে স্পর্শকাতর এলাকার সংখ্যা বেড়েছে অন্তত দশ গুণ! আর তাই চ্যালেঞ্জ সামলাতে এবার রাজ্যের ১০০ শতাংশ বুথই স্পর্শকাতর ধরে নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সব বুথই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দখলে থাকবে বলে সোমবার কমিশন কর্তাদের তরফে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন –WB Election 2021: ‘মিঠুন চক্রবর্তী মূলত একজন নকশাল’, অভিনেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে সৌগত রায় 

রাজ্যে প্রথম দুই দফায় ৬০টি আসনে ভোট হ‌ওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের সব ক’টি বুথেই জারি থাকবে হাই অ্যালার্ট! বুথের বাইরে আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা মোতায়েন থাকবেন। পাশাপাশি ভোট গ্রহণের সময় নিরাপত্তাকে আর‌ও শক্তিশালী করতে বুথের দু’শো মিটার পর্যন্ত এলাকা আধাসেনার নিয়ন্ত্রণে রাখার চিন্তাভাবনা চলছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ২৯৫ কোম্পানি বাহিনী চলে এসেছে। প্রথম দফা নির্বাচনের আগে আরও ২০০ কোম্পানি পৌঁছানোর কথা।

আরও পড়ুন –ব্রিগেডের ১১ দিনের মাথায় ফের রাজ্যে মোদী, জোর কদমে চলছে নির্বাচনের প্রস্তুতি

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রথম দফায় রাজ্যের স্পর্শকাতর’ জায়গা হিসেবে বেছে নেওয়া বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরে মোট ৩০টি আসনে ভোট হবে, সব মিলিয়ে ১০ হাজার ২৮৮টি বুথে। মাওবাদী অধ্যুষিত এই আসনগুলিতে বুথ পিছু ৬ থেকে ৮ জন জওয়ান মোতায়েন রাখতে চাইছে কমিশন। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তরের এক কর্তার কথায়, “এবার বাহিনী মোতায়েন পরিকল্পনায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কমিশন নিযুক্ত দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক। বুথের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী উপর। বুথের বাইরের অংশে রাজ্য পুলিশকে কাজে লাগানো হতে পারে।” এদিকে, অভিযোগ উঠতেই সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস প্রার্থী লাভলি মৈত্রর স্বামী তথা হাওড়ার (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সৌম্য রায়কে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

আরও অন্যান্য খবর