২৭শে মার্চ থেকে বাংলায় ভোট গ্রহণ শুরু। সেইসঙ্গে ভোট হবে দেশের আরও চারটি রাজ্যেও। কিন্তু বাংলা বিধানসভার লড়াইতে সবচেয়ে বেশি দফায় ভোট হওয়ার কথা। আর তাই পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে দায়ের হয়েছিল মামলা। এবার সেই জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে রাজনৈতিক প্রচারে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির যে আর্জি জানানো হয়েছিল, তাও খারিজ হল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।
আরও পড়ুন –WB Election 2021: ‘মিঠুন চক্রবর্তী মূলত একজন নকশাল’, অভিনেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে সৌগত রায়
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, ধর্মের ভিত্তিতে বড়জোর নির্বাচনী পিটিশন হিসেবে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়া যায়। মনোহরলাল শর্মা নামে মামলাকারীকে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদনের বিকল্প দেওয়া হয়। তাতে ওই আইনজীবী ইচ্ছুক না হওয়ায় মামলা খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।
ওই আইনজীবী নিজের বক্তব্যে জানিয়েছিলেন যে ‘জয় শ্রীরাম’-এর মতো ধর্মীয় ধ্বনি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কলুষিত করে। যাঁরা এই ধরনের ধ্বনি দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের আর্জি জানিয়েছিলেন। ধর্মীয় ভেদাভেদে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে যাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) মামলা দায়ের করে, সেই আর্জি জানিয়েছিলেন মনোহরলাল।
আরও পড়ুন –ব্রিগেডের ১১ দিনের মাথায় ফের রাজ্যে মোদী, জোর কদমে চলছে নির্বাচনের প্রস্তুতি
একইসঙ্গে গত ১ মার্চ মনোহরলাল জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোটগ্রহণ নিয়ে।ও প্রশ্ন তুলেছিলেন। পিটিশনে বলা হয়েছিল, ‘পশ্চিমবঙ্গে যখন কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলার মুখে নেই বা বিতর্কিত যুদ্ধক্ষেত্রের আওতায় পড়ছে না, তখন আট দফায় ভোটগ্রহণ স্পষ্টতই ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারার (সাম্যের অধিকার) লঙ্ঘনের বিষয়।’ তবে সেই বিষয়টির উপর বেশি জোর দেননি মনোহরলাল। বরং বিজেপি নেতারা ‘জয় শ্রীরাম’-কে ‘ধর্মীয় স্লোগান’ হিসেবে ব্যবহার করায় পিটিশনে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে বলার আর্জি জানিয়েছিলেন। যদিও ডিভিশন বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, ‘আমরা আপনার পুরো পিটিশন পড়েছি। কিন্তু (বিষয়টিতে) হস্তক্ষেপ করার কোনও ভিত্তি পাইনি।’






