ফিরছে শীত! কলকাতায় তাপমাত্রার পারদ পতন, আবার কি বাড়বে ঠান্ডা?

শীতের বিদায়ঘণ্টা বেজে যাওয়ার পরও যেন একটু অন্য রকম হাওয়া বইছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায়। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি এসে দিনের বেলায় তাপমাত্রা একটু উষ্ণ হলেও ভোর ও রাতের দিকে ঠান্ডার হালকা ছোঁয়া অনুভব করছেন শহরবাসী। কিছু কিছু জায়গায় সকালবেলা কুয়াশার আস্তরণও নজরে পড়ছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শীতের এমন আচরণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৌসুমি বৈচিত্র্যেরই অংশ।

শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। কিন্তু শনিবার তা আরও কমে দাঁড়িয়েছে ১৫.৬ ডিগ্রিতে। স্বাভাবিকের থেকে ১.৩ ডিগ্রি কম এই তাপমাত্রা শীতপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে। তবে দিনের বেলায় তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকছে, ফলে বেলা গড়ালে ঠান্ডার অনুভূতি তেমন টের পাওয়া যাচ্ছে না।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে। তবে সেই শীত বেশিদিন স্থায়ী হবে না। ১১ ফেব্রুয়ারির পর থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও একই পরিস্থিতি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সেখানে তাপমাত্রা আপাতত কিছুটা কমলেও, শুষ্ক আবহাওয়ার প্রভাব থাকবে।

হাওয়া অফিসের মতে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। একই ধরনের পরিস্থিতি থাকবে উত্তরবঙ্গেও। অর্থাৎ, বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে শীতের আচরণ পুরোপুরি নির্ভর করছে স্থানীয় আবহাওয়ার ওঠাপড়ার ওপর।

আরও পড়ুনঃ জুনিয়র ছাত্রীকে জোর করে চুম্বন! যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএফআই নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ!

কলকাতায় আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বাধিক ৯৩ শতাংশ এবং ন্যূনতম ৩১ শতাংশে রয়েছে। এই অবস্থায়, ভোরের দিকে শীতের হালকা আমেজ থাকলেও দিনের বেলা উষ্ণতা বাড়বে। আবহাওয়া দফতরের মতে, এমন পরিস্থিতি সাময়িক। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শীত পুরোপুরি বিদায় নেবে, এবং গ্রীষ্মের প্রস্তুতি শুরু হবে। তাই শীতপ্রেমীরা চাইছেন, এই সামান্য ঠান্ডাটুকু আরও কিছুদিন স্থায়ী হোক।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর