বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে কাড়াকাড়ি-হাতাহাতি দলীয় কর্মীদের মধ্যে! চরম বিশৃঙ্খলা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সম্মেলনে

পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সম্মেলনে ঘটে গেল এক চরম বিশৃঙ্খলা। দলীয় কর্মীদের মধ্যে বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে বেঁধে গেল কাড়াকাড়ি-হাতাহাতি। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, কোনও গোলমাল হয়নি। আমন্ত্রিতদের থেকে বেশি কর্মী সম্মেলনে আসায় খাবারের প্যাকেট কম পড়েছিল। সেই কারণে তারা হুড়োহুড়ি করছিলেন। ঠিকমতো লাইন দিয়ে তা না নেওয়ার কারণে সাময়িক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

গতকাল, রবিবার বর্ধমান সংস্কৃতি লোকমঞ্চে সংখ্যালঘু সেলের সম্মেলন ছিল। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ‌-সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, সংখ্যালঘু সেলের জেলা সভাপতি মহম্মজ আশরাফ উদ্দিন (বাবু) ও অন্যান্য নেতৃত্বরা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কীভাবে দলীয় সংগঠন আরও মজবুত করা যায় ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কীভাবে জনসংযোগ আরও বাড়ানো যায়, সেই নিয়েই কর্মীদের পরামর্শ দেন তৃণমূল নেতারা।

এদিন জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “বাম আমলে সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু, তাতে সংখ্যালঘুদের কোনও উন্নতি হয়নি। রাজ্যের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যালঘুদের নিয়ে গবেষণা করেছেন। তৃণমূল সরকার আসার পর সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাজেট বাড়িয়েছেন। ৪৭২ কোটি টাকা থেকে বাজেট বাড়িয়ে চলতি বছরে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই বেশি”।

এদিন সভা শেষে আগত কর্মীদের জন্য খাবারের প্যাকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল সংগঠনের তরফে। সভাস্থলের পাশেই একটি কাউন্টার থেকে বিলি করা হচ্ছিল খাবারের প্যাকেট। সেই কাউন্টারে হঠাৎ করেই অনেক মানুষ একসঙ্গে হাজির হয়ে যায়। ফলে শুরু হয় হুলস্থূল।

এই ভিড়, ঠেলাঠেলির কারণে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলার। কয়েকটি খাবারের প্যাকেট মাটিতেও পড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। খাবারের প্যাকেট কম পড়ায় ফের খাবারের প্যাকেট আনানোর ব্যবস্থা করেন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি। কিন্তু অভিযোগ, অনেকেই খাবারের প্যাকেট না পেয়েই ফিরে গিয়েছেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আরও অন্যান্য খবর