আতঙ্ক শুরু হয়েছিল বিদেশী ক্রিকেটারদের মধ্যে। অনেকেই খেলা মাঝপথে ছেড়ে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। কিন্তু এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত টুর্নামেন্ট। প্রত্যেক ক্রিকেটারকে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে ভারতীয় বোর্ড।
তবে আপাতত যে কোনও খেলা নেই তা নয়। কয়েক সপ্তাহ পর ফের ভারত ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের নামতে হবে ক্রিকেটের বাইশ গজে ব্রিটেনের মাটিতে।
আর ইংল্যান্ড পাড়ি দেওয়ার আগেই হয়তো করোনা প্রতিশোধ নিতে হতে পারে ক্রিকেটারদের। তবে শোনা যাচ্ছে, যে সমস্ত ক্রিকেটার দেশের বাইরে যাবেন, তাঁদের কোভ্যাক্সিন কিংবা অন্য কোনও টিকা নয়, দেওয়া হবে শুধুমাত্র কোভিশিল্ডই। এর পিছনে একটি নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জানা যাচ্ছে জুনের মাঝামাঝি থেকে থেকে শুরু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ভারতে কোভিশিল্ডের একটি ডোজ নিয়েই ইংল্যান্ড রওনা দেবে টিম কোহলি। প্রথম ডোজ নেওয়ার ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজটি নিতে হয়। কিন্তু চলতি মাসে প্রথম ডোজ নিলে ইংল্যান্ড যাওয়ার আগে আর দ্বিতীয় ডোজটি নেওয়া যাবে না। কিন্তু কোভিশিল্ডের একটি ডোজ নেওয়া থাকলে ইংল্যান্ডে পৌঁছেও দ্বিতীয় ডোজ নিতে সমস্যা হবে না। যেহেতু এটি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন। সেই কারণেই প্রতিষেধকটি তাঁরা ওখানেও নিয়ে নিতে পারেন। আর সেই কারণেই এই পরামর্শ।
চলতি মাসের শুরু থেকে দেশজুড়ে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককেই করোনা প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে। ফলে এবার ক্রিকেটাররাও টিকাকরণের আওতায় পড়ে গিয়েছেন।
বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছিল, আইপিএল চলাকালীনই মাঝপথে ক্রিকেটারদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কিন্তু আইপিএল স্থগিত হয়ে যাওয়ায় তেমনটা আর হয়নি।





