আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) জের। বাতিল হয়েছে ডার্বি। শান্তি বজায় রাখার জন্য যুবভারতী এবং তার আশেপাশের এলাকা জুড়ে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অধীনে (BNS) ১৬৩ ধারা জারি করেছিল রাজ্য প্রশাসন। মাঠের খেলা বাতিল হলেও পথেই ‘খেলার’ সিদ্ধান্ত নেয় মোহনবাগান (Mohun Bagan) এবং ইস্ট বেঙ্গলের (East Bengal) সমর্থকেরা। সেই লক্ষ্যে রবিবার দুপুর থেকেই যুবভারতীর বাইরে জমায়েত শুরু করে ইলিশ-চিংড়ি বাহিনী।
আরজি করে মহিলা চিকিৎসকের খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় টালমাটাল রাজ্য রাজনীতি। সুবিচার চেয়ে পথে নেমেছে বাঙাল এবং ঘটিরা। এতদিন খেলার মাঠে মারকাটারি শত্রুতার পর, আজ আর তাঁরা শুধুই মোহনবাগান কিংবা ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক নয়। আজ তাঁদের পরিচয় ফুটবলপ্রেমী হিসাবে। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে হাঁটছেন তাঁরা। মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে লাল-হলুদ-সবুজ-মেরুন রঙ।
ডুরান্ড কাপের ডার্বি বাতিল হওয়ার পরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের বাইরে তিন প্রধানের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। প্রতিবাদ মিছিল আটকাতে যুবভারতী এলাকা কার্যত পুলিশি দুর্গে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শয়ে শয়ে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় সেখানে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ইতিমধ্যে আটক হয়েছেন বেশ কয়েকজন সমর্থক।
ভিড় সামলাতে প্রথমে পুলিশ এগিয়ে গেলেও, জনগণের রোষের মুখে পুলিশ। শেষমেশ জয় হলো ফুটবল সমর্থকদের। গোটা বাইপাসের দখল নিল মহামেডান, ইস্ট বেঙ্গল ও মোহনবাগান। ডিফেন্স কাটিয়ে এগিয়ে গেল সমর্থকরা।





