পথের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে কোনও বাধা এলেই জানান দেবে বিশেষ চশমা, খুদের অসামান্য ‘দাদাগিরি’তে মুগ্ধ সৌরভ

জি বাংলার একটি অন্যতম জনপ্রিয় শো দাদাগিরি। এবারের সেই ‘দাদাগিরি’ ১০ বছর পূর্ণ করল। সঞ্চালক হিসেবে দীর্ঘ বছর ধরেই প্রশংসিত সৌরভ। মজার মজার এপিসোড নিয়ে আসে দাদাগিরি। বহু জায়গার লোক আসে, তাদের জ্ঞানের ভান্ডার উজাড় করে দেয়। দাদাগিরি ১০ শোটি জি বাংলায় প্রতি শনি এবং রবিবার সম্প্রচারিত হয়। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সঞ্চালিত এই শো রাত সাড়ে নয়টা থেকে দেখা যায়।

এবারে দাদাগিরি ১০-এ খেলতে এসেছিল হুগলির শ্রী চৈতন্য টেকনো স্কুল, বোলপুরের সেন্ট টেরেসা স্কুল, কাঁথির কাঁথি পাবলিক স্কুল, কলকাতার গভর্নমেন্ট স্পন্সরড মাল্টিপারপাস স্কুল টাকি হাউজ, বারাসাতের নারায়ন স্কুল এবং নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল।

বীরভূমের সেন্ট টেরেসা স্কুলের এক ছাত্রী জানায়, “সে ক্যানসার নিরাময় করা যায় সম্পূর্ণ ভাবে এমন একটা ওষুধ আবিষ্কার করতে চায়।” হুগলির শ্রী চৈতন্য টেকনো স্কুলের এক ছাত্রী জানায়, “সে রাইফেল শ্যুটিংয়ের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হতে চায়।” 

অপর এক স্কুলের ছাত্র নিজের হাতে বানানো একটি চশমা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখায়। এই চশমাটির বিশেষত্ব হল সামনেই কেউ বা কিছু আচমকা চলে এলে সেটা অ্যালার্ম দেবে। এতে দুর্ঘটনা কমবে অনেক। কাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে যান সৌরভ। 

শনিবার সম্প্রচারিত হয় এই পর্ব। সেখানে সৌরভ করা প্রশ্নে জমে ওঠে স্কুল বনাম স্কুলের এই লড়াই। এই প্রোমো প্রকাশ্যে আসার পর মন্তব্যের হিড়িক পড়ে যায়। এক ব্যক্তি লেখেন, ‘অবশেষে একটা দুর্দান্ত পর্ব আসছে।’ কেউ আবার লেখেন, ‘নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আছে মানেই ওরাই জিতবে।’ কেউ আবার পরামর্শ দিয়ে লেখেন, ‘দাদাগিরি সিজন ১০ এর মঞ্চে কেন এখন আর সেলিব্রিটিদের দেখা যাচ্ছে না? প্রতি সপ্তাহে একদিন অন্তত সেলিব্রিটিদের দাদাগিরি দেখানো দরকার। না হলে দাদাগিরির টিআরপি ছয়ের খুব কম থাকে এবং টিআর পিখুব কমই থাকবে।’

আরও অন্যান্য খবর