সপ্তাহান্তে ট্রেন বাতিল। রেলের কাজের জন্য একের পর এক লোকাল ট্রেন বাতিল ঘোষণা। দিনের পর দিন ধরে চলছে এই ঘটনা। এ সপ্তাহে দমদম জংশনে ইন্টারলকিংয়ের কাজ চলবে, সে কারণে ১৬ মার্চ রাত ১২ টা থেকে ১৮ মার্চ বিকাল ৪টে পর্যন্ত শিয়ালদহ মেন শাখায় ১৪৩টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ৪৬টি ট্রেন অন্য পথে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ব্যাপক যাত্রী দুর্ভোগ হবে। এছাড়াও তিনটি এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।
শিয়ালদহ-ব্যারাকপুর-নৈহাটি সেকশনে এবং শিয়ালদহ-দমদম ক্যানটনমেন্ট সেকশনে ট্রেন বাতিল থাকছে। গোটা শিয়ালদহ ডিভিশনে ৮৯২টি ট্রেনের মধ্যে ৭৪৯টি ট্রেন চলবে। শিয়ালদহ-বনগাঁ ও শিয়ালদহ-কৃষ্ণনগর শাখার সমস্ত মাতৃভূমি লোকাল সাধারণ ট্রেন হিসাবে চলবে। বাতিল করা হয়েছে তিনটি মেল-এক্সপ্রেস। আসানসোল ইন্টারসিটি, শিয়ালদহ জঙ্গিপুর এক্সপ্রেস ও হাওড়া সিউড়ি মেমু এক্সপ্রেস।
রেলের তরফে বলা হচ্ছে, “যাত্রীদের আরও ভাল পরিষেবা দিতেই এই কাজ করা হচ্ছে।” তবে সাধারণ যাত্রীরদের বক্তব্য, “সকলের সরকারি চাকরি নয়। ফলে শনিবার ছুটি বা হাফ ছুটিও থাকে না। সারাদিন অফিস শেষে ট্রেন বাতিলের মুখে পড়তে হলে নাকাল হতে হয়। আর রবিবার এভাবে ট্রেন বাতিল হলে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করলেও তা থেকে পিছু হঠতে হয়। এর আগে মার্চের শুরুতে ট্রেন বাতিলের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও পরে অনিবার্য কারণে তা স্থগিতও রাখা হয়।”
এই কাজের জন্য সাময়িকভাবে যাত্রীদের অসুবিধা হলেও আগামী দিনে যাত্রী নিরাপত্তা ও সিগনাল ব্যবস্থা উন্নত হবে বলে মনে করছেন শিয়ালদেহর ডিআরএম দীপক নিগম। ১২ বগির ট্রেন চালু হলে পুরোনো ৯ বগির ট্রেন আর থাকবে না। আগামী মে মাসের মধ্যে সিগন্যাল ও প্লাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। লোকশিল্পের ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি দিতে এক স্টেশন এক পণ্য বিক্রি প্রক্রিয়ায় স্থানীয় এলাকার মানুষজন সেখানকার স্থানীয় জিনিস বিক্রি করতে পারবেন স্টেশনের স্টলে।






