হঠাৎ তড়িঘড়ি মুম্বাই থেকে ফিরলেন অভিনেতা। পারিবারিক কারণে কলকাতায় ফিরলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। পরিবার সূত্রে খবর মাতৃ বিয়োগ ঘটেছে তাঁর। মাতৃহারা হলেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের বাবা প্রখ্যাত অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় মারা গিয়েছিলেন অনেক আগেই। এবার শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রীর প্রয়াণ হল।
জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় বেসরকারি এক হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের মা অঞ্জলি চট্টোপাধ্যায়ের। মাস খানেক ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। অঞ্জলি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন। কিছুদিন আগে পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পান। তাতেই অসুস্থতা আরও বাড়তে থাকে। এরপর তাঁকে শনিবার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।চিকিৎসকেরা জানান এই চোট থেকেই তাঁর শরীরে সংক্রমণ হয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে শুরু করেছিল।
গল্ফগ্রীনে শাশ্বতর বাড়ির কিছুটা দূরে ছোট ছেলের সঙ্গে থাকতেন অঞ্জলি দেবী। শুটিংয়ের কাজের জন্য মুম্বইতে ছিলেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শুটিং ক্যানসেল করে ফিরে আসেন ছেলে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।
শোনা যাচ্ছে, মায়ের মৃত্যুতে আগামী বেশ কিছুদিন কাজকর্মও খানিক স্থগিত রাখবেন অভিনেতা। স্বাভাবিকভাবেই মা হারানোর এই যন্ত্রণা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। মায়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার।
শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী মহুয়া জানান, “দীর্ঘ একমাস ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। গত শনিবার তাঁকে আমরা হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিলেন। পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছিলেন। টুকটাক বার্ধক্যজনিত সমস্যা ছিলই। কিন্তু কোনওটাই প্রচণ্ড অসুস্থতার পর্যায় পৌঁছায়নি। এই চোট থেকেই বাড়াবাড়ি হয়েছে। ডাক্তাররা বলেছেন, তাঁর শরীরে সংক্রমণ হয়েছিল। সেটাই তাঁর প্রাণটা কেড়ে নিল। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে শুরু করেছিল। আস্তে-আস্তে সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাচ্ছিল। তাঁকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি।”






