গত কয়েক মাসে বঙ্গ রাজনীতিতে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) নামটা বড্ড বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্য পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল বটে, তবে আদালতের নির্দেশেই তাঁকে তুলে দিতে হয় সিবিআইয়ের হাতে। তবে এবার সিবিআই হেফাজত শেষ হচ্ছে শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan)। যদিও তাতে একচুলও স্বস্তি পাচ্ছেন না তিনি। কারণ এবার নতুন কোনও জালে আটকা পড়তে পারে এই সন্দেশখালির ‘বাঘ’।
আজ, বৃহস্পতিবার সিবিআই হেফাজত শেষ হচ্ছে শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan)। এদিন তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। আর তাতেই নতুন করে বিপদ বাড়ার আশঙ্কা শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan)। কারণ এদিন তাঁকে নিজেদের হেফাজতে চাইতে পারে ইডি। তবে রেশন দুর্নীতি নয়, অন্য একটি মামলায় তাঁকে জেরা করতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। ফলে শাহজাহান (Sheikh Shah Jahan) যে নতুন করে ফের এক বিপদে পড়তে চলেছেন, তা বেশ স্পষ্ট।
ইডির কী অভিযোগ শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shah Jahan) নিয়ে?
শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। তাঁর ও তাঁর সাগরেদদের বিরুদ্ধে জোর করে জমিবাড়ি দখল, আর্থিক দুর্নীতি, নারী নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। মাছের ব্যবসা সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) বিরুদ্ধে। সেই দুর্নীতির ঘটনাতেই শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। জেরায় আরও অনেক তথ্য ও দুর্নীতি সামনে আসবে বলে অনুমান কেন্দ্রীয় সংস্থার।
প্রসঙ্গত, গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতেই সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) বাড়ি তল্লাশিতে যায় ইডি। সেই সময় শাহজাহানের অনুগামীদের হামলার মুখে পড়েন তদন্তকারীরা। সেই ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শাহজাহান (Sheikh Shah Jahan)। প্রায় ৫৫ দিন পর তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এরপর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শাহজাহানকে (Sheikh Shah Jahan) তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। টানা তাঁকে জেরা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বলে রাখি, রেশন দুর্নীতিতে ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের একটি চিঠি থেকে উঠে আসে শাহজাহানের (Sheikh Shah Jahan) নাম। সেই সূত্র ধরেই ইডি তদন্ত শুরু করে। এবার শাহজাহানকে (Sheikh Shah Jahan) নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে ইডি।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার