তেঁতুলের নাম শুনলেই জিভে জল আসে অনেকের। এবার সেই তেঁতুলের (tamarind) দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে ব্যবসায়ীরা। তেঁতুল গ্রীষ্মমন্ডলীয় আফ্রিকার একটি গাছ। ভারতীয় উপমহাদেশে এই গাছ বিক্ষিপ্তভাবে শখ করে বসায় কেউ কেউ। অনেক সময় দানা পড়ে গাছ হলেও চাষ করার উদ্যেশ্যে খুব একটা ব্যবহার করা হয় না।
খোকন দেবনাথ নামে একজন ব্যবসায়ী যার তেঁতুলের (tamarind) গোডাউন রয়েছে। তিনি বলেছেন, “চাষীরা তেঁতুল নিয়ে আসে তার কাছে সেখান থেকেই কিনে নেন তিনি। আর আমাদের কাছ থেকে বাকিরা কেনে। এখন তেতুলের দাম যাচ্ছে ৩৮ টাকা থেকে শুরু করে ৪০ টাকায় কেনা হচ্ছে”। তবে ওই ব্যবসায়ী জানাচ্ছেন এখন তেঁতুলে তেমনভাবে লাভ হচ্ছে না। যেহেতু এখন তেঁতুলের (tamarind) আমদানি নেই তাই লাভও সেভাবে হচ্ছে না।
এক একটা গাছ থেকে মেলে ৩ থেকে ৪ কুইন্টাল তেঁতুল (tamarind)। এই গাছ ২৪ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে, চিরহরিৎ এই গাছের ফল সাধারনত টকজাতীয় ফল। ফুচকার জলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয় তেঁতুলের। চাটনি, আচার হিসাবে ব্যবহার হয় এই তেঁতুল (tamarind)। ভিটামিন সি এর ভাণ্ডার এই তেঁতুল গাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়। চাষ করার উদ্দেশ্যে যদিও এই গাছ তৈরি করা হয় না।
এক ব্যবসায়ী সুশান্ত কপাটের কথায়, “এ বছর তেতুলের ফলন কম আছে। যেভাবে অন্যান্য বছর এক একটা গাছ থেকে ফলন পেতাম সেরকম এ বছর আর হচ্ছে না। ২০-৩০ টা গাছের মধ্যে এক দুটো গাছে হয়তো ফলন এসেছে। মাল তৈরি হচ্ছেনা তাই আমরাও সেভাবে যোগান দিতে পারছিনা তেঁতুলের (tamarind)”। গত বছরের তুলনায় বছর একটু হলেও দাম বেড়েছে তবে আরও বাড়তে পারে এর দাম।
তেঁতুল (tamarind) গাছ থেকে সংগ্রহ করে সরাসরি বাজারের সরবরাহ করা হয়। এবছর খুব কম পরিমাণে তেঁতুল (tamarind) আসছে। তেঁতুলের দাম বাড়লে সেই তেঁতুল কিনতে অনেকটাই সমস্যা পড়তে হবে । এবছর বাজারে তেঁতুল খুব কম পরিমাণে আসছে। ফলে গতবছরের থেকে কিছুটা বেড়েছে তেঁতুলের পাইকারি বাজারদর। ৩৮ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই তেঁতুল। যার প্রভাব বাজারে পড়তে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।






