‘হাত জোড় করে ক্ষমা চাইতে হবে’, রাস্তায় শুয়ে দাবী বৃদ্ধের, গুরুতর অভিযোগ বিজেপি প্রার্থী হিরণের বিরুদ্ধে

Protest against Hiran Chatterjee: আজ, শনিবার লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফার ভোট। এদিন ভোট রয়েছে রাজ্যের আট আসনে। এর মধ্যে ভোট রয়েছে ঘাটালেও। এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকেই বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তির ঘটনা সামনে আসছে। এবার গুরুতর অভিযোগ উঠল ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে (Protest against Hiran Chatterjee)

ভোটের শুরুর থেকেই নানা জায়গায় বাধার অভিযোগ তুলেছিলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। তবে বেলা বাড়তেই এবার তাঁরই বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। মাঝপথে আটকে দেওয়া হয় বিজেপি প্রার্থীকে। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান তারা (Protest against Hiran Chatterjee)। তাদের হাতে লাঠি।

কেন এই বিক্ষোভ (Protest against Hiran Chatterjee)?

কেশপুরে এই বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবী, হিরণের কারণেই ওই এলাকায় অশান্তি হচ্ছে। তাঁর জন্য অনেকেই আহত হয়েছে বলেও অভিযোগ এলাকাবাসীদের। রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখান এক বৃদ্ধ (Protest against Hiran Chatterjee)

ওই বৃদ্ধের দাবী, “হিরণকে হাত জোড় করে মাফি চাইতে হবে। হিরণের সঙ্গে আমরা কথা বলতে চাই। উনি কেন এলাকায় এলেন। উনি আসার আগে কখনও অশান্তি হয়নি। এলাকা থেকে বের করে দিতে হবে হিরণকে” (Protest against Hiran Chatterjee)। এরপর হিরণের গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (Protest against Hiran Chatterjee)। হিরণকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে বিজেপি প্রার্থীর প্রশ্ন, এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও লাঠি নিয়ে এভাবে কারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে? তাঁর অনুমান, তৃণমূলের লোকজনই এমন করছে।  

বলে রাখি, এদিন সকাল থেকেই বুথে বুথে ঘুরতে দেখা গিয়েছে হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর অভিযোগ, ১৮২টি বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন। তাঁর দাবী, পঞ্চায়েত ভোটের থেকেও খারাপ অবস্থা। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বিজেপি প্রার্থীর দাবী, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তৃণমূল ও রাজ্য ‘ম্যাচ ফিক্সিং’ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ হিরণের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ডিআইজি তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন বলেও দাবী তাঁর। হিরণ বলেন, “ম্যাচ ফিক্সিং হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূলের হাতে বিক্রি হয়ে গিয়েছে”। 

আরও অন্যান্য খবর