আশঙ্কা ছিল, এবার ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Remal) নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে। মে মাসের দুর্যোগের ইতিহাস আরও একবার ফিরবে কি রেমালের হাত ধরে এই আতঙ্কেই রয়েছে বঙ্গবাসী। শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়টি এগোবে উপকূলের দিকে। ফিরবে কি আমফান, ফণী, ইয়াসের স্মৃতি? উপকূলবর্তী জেলার মানুষ ভয়ে পাচ্ছেন। জানা যাচ্ছে সবথেকে বেশি প্রভাব পড়তে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। আবারও বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন জেলার মানুষ।
বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর শক্তি বাড়িয়ে আজ শনিবার তা পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে। ঘূর্ণিঝড়ের (Remal) সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ঘন্টায় ১১০-১২০ কিলোমিটার। কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার। ঝড়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে দুই চব্বিশ পরগনাতে।
ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Remal) স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে রবিবার গভীর রাতে বাংলাদেশের খেপুপাড়া এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপের মাঝখানে। ঘূর্ণিঝড়টি (Remal) আছড়ে পড়ার সময়ে গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শনিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে। এর জেরে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়ায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। এই জায়গাতে ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া (Remal) বইতে পারে। পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমানে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে রবিবারে। রবি ও সোমে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Remal) মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ। আগাম সর্তকতা জারি করা হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। ত্রাণ, শেল্টার গুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের (Remal) প্রভাব যাতে রেলের ওপর না পড়ে তার জন্য ইতিমধ্যেই হাওড়া ও শিয়ালদহ বিভাগের রেলের ম্যানেজার ও আধিকারিকরা বৈঠকে বসেছেন।





