সামনেই রয়েছে উপনির্বাচন। এর আগে প্রচারে গিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা, এমনটাই অভিযোগ। এর জেরে এলাকায় অশান্তি ছড়াতে পারে বলে দাবী স্থানীয় বাসিন্দার। সেই কারণে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন ওই জনৈক। ওই স্থানীয় বাসিন্দাকে তৃণমূলের লোক বলে দাবী বিজেপি নেতার।
আগামী ১০ জুলাই বিধানসভা উপনির্বাচন রয়েছে বাগদায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। তারপরই তিনি যোগ দেন তৃণমূলে। চব্বিশের লোকসভা ভোটে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী হওয়ায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ফলে বাগদা বিধানসভা কেন্দ্র আপাতত বিধায়কহীন।
এবার সেখানে হতে চলেছে উপনির্বাচন। সেই কেন্দ্র থেকেই বিজেপি প্রার্থী করেছে বিনয়কুমার বিশ্বাসকে। যদিও এই প্রার্থীকে নিয়ে দলের মধ্যে বেশ মতভেদ রয়েছে। অনেকেই তাঁকে প্রার্থী মানতে নারাজ। প্রার্থী বদলের দাবীও উঠেছে। তবে বিনয়কুমার বিশ্বাসের হয়ে প্রচারে নেমেছেন সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। নানান সময় নানান বিতর্কমূলক মন্তব্যের জেরে চর্চা হয় তাঁকে নিয়ে মাঝেমধ্যেই। এবারও তেমনই করেছেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন বিজেপি নেতা।
দেবদাস মণ্ডল বলেন, “তৃণমূল নেতারা ভোট লুট করতে আসলে তিন হাত লম্বা ডান্ডা দিয়ে হাঁটুর মালাইচাকি ভেঙে দিতে হবে। বাগদা থানাতেও তালা লাগিয়ে দেওয়া হবে”। তাঁর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বাগদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হেলেঞ্চার বাসিন্দা অশোক সর্দার। তিনি অভিযোগপত্রে লিখেছেন, দেবদাস মণ্ডল উস্কানিমূলক মন্তব্য করে এলাকায় অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছেন। রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ।
এই বিষয়ে দেবদাস মণ্ডল বলেন, “উনি সাধারণ নাগরিক নন, তৃণমূলের লোক। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুট করতে গিয়েছিল তৃণমূল। সেসময় বাগদার মানুষ যা করেছিল, আমি সেই কথাই বলেছি”।
অন্যদিকে এই বিষয়ে তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “শান্তিপূর্ণ বাগদাকে অশান্ত করবার চেষ্টা করছে। কয়েকজন অসামাজিক লোকজন সেখানে বাগদার সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছে”।






