দিনের পর দিন চা-টিফিন খেয়ে বকেয়া ১৪ হাজার টাকা, টাকা চাইতেই চা দোকানিকে ধমকানি বিডিওর

Tea Shop Made Major Complaint Against BDO: দিনের পর দিন ধারেই খেয়ে গিয়েছে চা, বিস্কুট, কফি, টিফিন। ‘পরে টাকা দেব’, ‘খাতায় লিখে রাখো’, এসব বলে বলে বিল বাড়িয়েছেন। আর সেই বিল এবার গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার টাকায়। সেই বকেয়া টাকা চাইতেন চা দোকানির উপর মেজাজ হারালেন বিডিও (Tea Shop Made Major Complaint Against BDO)

ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল ব্লকে। জানা গিয়েছে, সেই ব্লক প্রশাসনের একটু দূরেই রয়েছে নন্দ মাইতি নামের এক ব্যক্তির চায়ের দোকান। সেখান থেকেই দিনের পর দিন চা, বিস্কুট, কফি, টিফিন গিয়েছে বিডিও অফিসে। কিন্তু টাকা মেটান নি বিডিও। এখন সেই বিল দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার টাকায়। কিন্তু টাকা দিতে চাইছেন না বিডিও (Tea Shop Made Major Complaint Against BDO)। উল্টে জানতে চাইছেন, কফির দাম ২০ টাকা কী করে হয়, এমনটাই অভিযোগ করলেন চা দোকানি।    

চা দোকানি জানান, “পঞ্চায়েত সমিতির অনুমোদিত ক্যান্টিনটি মাঝে কিছুদিন বন্ধ ছিল। তখন আমার চা দোকান থেকে চা, কফি, মশলা মুড়ি প্রভৃতি বিডিও অফিসে যেত। এজন্য বিডিও সাহেব নিজেই আমাকে বলেছিলেন। এখন সারা মাসের ১৩ হাজার ৬০০ টাকা চাইতে গেলে বিডিও বলছেন, কফির দাম কীভাবে ২০ টাকা হয়” (Tea Shop Made Major Complaint Against BDO)?

তাঁর আরও অভিযোগ, “বকেয়া মিল না মিটিয়ে এখন বিডিও বলছেন, দোকানের কাগজও চেখাতে। সেটা কী করে দেখাব। ওটা তো সেচ দফতরের জায়গায় আমার অনেকদিনের দোকান”। এই ঘটনায় সুবিচার চাইতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দ্বারস্থ হয়েছেন চা দোকানি নন্দ মাইতি (Tea Shop Made Major Complaint Against BDO)। আর এই ঘটনায় গোটা এলাকায় বেশ শোরগোল পড়েছে বৈ কী!

তবে চা দোকানির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিডিও বরুণাশিস সরকার। তাঁর দাবী, ১৪ হাজার কোনওভাবেই নয়, বড়োজোর বিল হয়েছে ৪ হাজার টাকা। তাঁর কথায়, “সরকারি জায়গায় যাঁরা রয়েছেন তাদের যেহেতু তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে, তাই দোকানের জায়গার কী কাগজ আছে তা আনতে বলা হয়েছে। দুটো বিষয়কে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে” (Tea Shop Made Major Complaint Against BDO)

এদিকে এই ঘটনায় মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিউলি দাস জানিয়েছেন, “বিষয়টি শুনেছি। সমস্যার সমাধানে দু’পক্ষের সঙ্গে কথা বলব”।

আরও অন্যান্য খবর