‘বাচ্চা হওয়ার ১৪ দিন পর স্ত্রীর পেটে লাথি মারেন, সেলাই ফেটে যায়…, আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের কুকীর্তি শোনালেন প্রতিবেশীরা

Sandip Ghosh Has been Accused of Harassing his Wife: আর জি কর কাণ্ডে গর্জে উঠেছে গোটা বাংলা। আজ, ১৪ আগস্ট রাতে জমায়েত করছেন বাংলার মহিলারা। নানান প্রান্তে হবে ‘রাত দখলের কর্মসূচি’। আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামছেন মহিলারা। এরই মধ্যে এবার আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত জীবনের কুকীর্তি সামনে এল (Sandip Ghosh Has been Accused of Harassing his Wife)।

আর জি করের ঘটনার পর থেকেই আঙুল উঠেছিল সন্দীপ ঘোষের দিকে। তাঁকে নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। প্রতিবাদের চাপে পড়ে আর জি কর থেকে ইস্তফা দিলেও ফেরতাকে বহাল করা হয়েছিল ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে। যদিও আদালতের নির্দেশে আপাতত কোনও পদেই নেই তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল। আর এবার তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কেচ্ছা সামনে আনলেন প্রতিবেশীরা (Sandip Ghosh Has been Accused of Harassing his Wife)।

এক সময় উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাতের মল্লিক বাগানে থাকতেন সন্দীপ ঘোষ। সেখানকার নার্সিং হোমে প্র্যাকটিস করতেন তিনি। চেম্বারও ছিল। এলাকায় বেশ পরিচিত মুখই ছিলেন। তাঁর সেখানকার প্রতিবেশীরা জানান, সদ্য বাচ্চা হওয়া স্ত্রীয়ের পেটে লাথি মেরেছিলেন তিনি। তখন বাচ্চার বয়স সবে ১৪ দিন। এমনকি, তাঁর মায়ের ব্যবহার নিয়েও অভিযোগ করেছেন প্রতিবেশীরা (Sandip Ghosh Has been Accused of Harassing his Wife)।

সেখানকার এক বাসিন্দা বলেন, “তখন সন্দীপ ঘোষ নয়, নাম ছিল ডক্টর এস ঘোষ। অর্থপেডিক সার্জেন্ট। তাঁকে দেখাতে অনেকেই এই বাড়িতে আসতেন। ওঁর বাড়িতে একবার গন্ডগোল হয়। আমরা গিয়েছিলাম। উনি ওঁর স্ত্রীর পেটে লাথি মেরেছিলেন। মাত্র চোদ্দ দিন ছিল বাচ্চা হয়েছে। শুনেছি সেই সময় যিনি স্ত্রী ছিলেন উনি নীলরতনের চিকিৎসক”।

অন্য এক বাসিন্দার কথায়, “মানসিকতা ভাল ছিল না। ব্যবহার খারাপ। ওঁর মায়ের ব্যবহারও আরও খারাপ ছিল। যেদিন ওঁর স্ত্রীকে লাথি মেরেছিল সেদিন ওঁর স্ত্রীর সেলাই ফেটে গিয়েছিল। সেই অবস্থায় ওই ভদ্রমহিলাকে আমরা বের করছি হাসপাতালে নিয়ে যাব বলে, তখন আমরা বাচ্চাটার জন্য জামা নিতে গিয়েছি, দেয়নি” (Sandip Ghosh Has been Accused of Harassing his Wife)।

আবার অন্য একজন বলেন, “ব্যবহার খারাপ। ডাবল-ডাবল ফিস নিতেন। ভাল লোক ছিলেন না”। জানা যায়, এরপর এই বাড়ি বিক্রি করে অন্য জায়গায় চলে যান তিনি। তবে সন্দীপ ঘোষের এমন সব কুকীর্তির কথা এখনও ভোলেন নি মল্লিকবাগানের বাসিন্দারা (Sandip Ghosh Has been Accused of Harassing his Wife)।

আরও অন্যান্য খবর