আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এই মুহূর্তে গোটা রাজ্য উত্তাল। তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন নানান মহলের মানুষ। রাস্তায় নেমে জানানো হচ্ছে প্রতিবাদ। এমন পরিস্থিতি মধ্যেই বিষ্ণুপুরের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় এল মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানান রহস্য।
জানা গিয়েছে, গত শনিবার জঙ্গলে কাঠ কুড়োতে গিয়েছিলেন বিষ্ণুপুর থানা এলাকার ওই মহিলা। তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। এরপর গতকাল, রবিবার সকালে ওই মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার হয় গ্রাম লাগোয়া গভীর জঙ্গল থেকে। পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে।
মৃতা মহিলার পরিবারের দাবী ছিল, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে মহিলাকে। তা নিয়ে প্রতিবাদ জানান তারা। এদিকে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় উন্নত পরিকাঠামোযুক্ত বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে। সেখানেই ভিডিওগ্রাফি করে ময়নাতদন্ত হয়। সূত্রের খবর, ময়নাতদন্তের চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, বিষধর সাপের কামড়ের ফলেই মৃত্যু হয়েছে ওই বধূর।
পুলিশ সেকথা মৃতার পরিবারকে জানালে, তারা এই তত্ত্ব মানতে অস্বীকার করেন। তাদের দাবী, তাদের বাড়ির বধূকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তাদের কথায়, যদি বধূকে সাপে কামড়াত, তাহলে তিনি অন্তত বাড়ি ফেরার সময় পেতেন কিন্তু তা হয়নি। তাদের প্রশ্ন, যদি সাপে কামড়েই মৃত্যু হবে, তাহলে বধূর দেহ অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে থাকবে কেন?
গতকাল, রবিবার সন্ধ্যায় ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা ও সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি মৃতার বাড়ি যান। তাদের দাবী, মহিলাকে ধর্ষণ করেই খুন করা হয়েছে। আসল ঘটনা ধামাচাপা দিতেই সাপের কামড়ের তত্ত্ব খাঁড়া করা হচ্ছে। যদিও আবার তৃণমূলের দাবী, পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে। যদি মহিলার সঙ্গে কোনও অন্যায় হয়ে থাকে, তা নিশ্চিত প্রমাণিত হলে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবেই।





