আজ, মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল ছাত্র সমাজ। এদিনের এই কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার কাণ্ড। নানান জায়গাতেই মিছিলের উপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে পুলিশ। জলকামান ছোঁড়া হয়। বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ এই কর্মসূচি থেকে। তাদের ছাড়াতেই লালবাজারের পথে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
প্রথমে লালবাজার যাওয়ার চেষ্টা করলেও বিজেপিকে আটকে দেয় পুলিশ। ফলে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট এবং বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের ক্রসিংয়ে ধর্নায় বসে গেরুয়া শিবির। ছিলেন সুকান্ত মজুমদার-সহ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, রাহুল সিনহা ও আরও অনেকে। পুলিশকে ৫টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় এবার ফের লালবাজারের পথে বিজেপি।
বিজেপির ওঠে গার্ডরেল দিয়ে আটকানো চেষ্টা করে পুলিশ। তে সেই ব্যারিকেড ভেঙে লালবাজারের দিকে এগিয়ে যান সুকান্ত মজুমদার-সহ বিজেপির যুব মোর্চা। পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধ্বস্তাধস্তি। পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর। তুলকালাম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয় পুলিশের তরফে।
পুলিশি ‘আক্রমণের’ বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে সুকান্তর প্রশ্ন, “পুলিশ কেন শান্তিপূর্ণ, নিরস্ত্র মানুষের উপর লাঠিচার্জ করল? কেন মহিলাদের মারা হল? কেমিক্যাল মেশানো জল দিয়ে স্প্রে করা হয়েছে। বাংলায় জন্ম নিয়ে কি ছাত্র- ছাত্রীরা অপরাধ করেছে? পুলিশ মদ্যপ অবস্থায় এক মহিলার মাথায় লাঠির আঘাত করছে”।
গার্ডরেল টপকে ভিতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত বিজেপি নেতানেত্রীরা লালবাজার পর্যন্ত পৌঁছতে পারেন কী না, সেটাই দেখার।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার