সময়টা কিছুতেই ভাল যাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal)। ডুরান্ড কাপে (Durand Cup) বিদায় নিতে হয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। আইএসএলের (ISL) প্রথম ম্যাচেও জঘন্য ফুটবল খেলেছিল লাল হলুদ বাহিনী। শেষমেষ ম্যাচ হারতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে। এবার সমস্যা দলের তারকা ফরোয়ার্ড দিমিত্রিয়স ডিয়ামানটোকাসকে নিয়ে। অনুশীলানে অনুশীলনে তিনি। জানা গেল শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনুশীলন করতে পারেননি তিনি। তাহলে কি কেরালার সাথে খেলতে পারবেন না তারকা ফরোয়ার্ড? আপাতত টিম ম্যানেজমেন্ট আশ্বস্ত করেছে যে রবিবার তার খেলতে কোনওরকম অসুবিধা হবে না।
আসন্ন কেরালা ম্যাচকে ঘিরে ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লস কুয়াদ্রাতকে ঘিরে রয়েছে চাপের পরিস্থিতি। হারলে রীতিমত প্রশ্ন উঠে যাবে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে। বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচে লাল হলুদের আক্রমণ ভাগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনেক। আক্রমণ ভাগ এবং মাঝমাঠের মধ্যে কোনও বোঝাপড়াই তৈরি হয়নি। সেই ম্যাচে মাঝমাঠও ছিল নিষ্ক্রিয়। কেরালার বিরুদ্ধে জয় পেতে মরিয়া চেষ্টা করবে লাল হলুদ বাহিনী। জয় তুলে আনতে হয়ত নতুন কিছু পরিকল্পনা করে দল সাজাবেন লাল-হলুদের হেডস্যার। একমাত্র জয় আসলেই দলের মধ্যে ফিরে আসবে আত্মবিশ্বাস।
দলের ডিফেন্স এর অবস্থা খুবই শোচনীয়। তার ওপর ব্যাঙ্গালুরু ম্যাচে লাল কার্ড দেখে লালচুংনুঙ্গা খেলতে পারবেন না পরের ম্যাচ। এখনও আনফিট নিশু কুমার এবং প্রভাত লাকড়া। এই অবস্থায় ডিফেন্স নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে কোচের। কেরলের বিপক্ষে আগের ম্যাচের মত ফুটবল খেললে কোচকে নিয়ে শুরু হয়ে যাবে আলোচনা। কেরালের বিরুদ্ধে যে কোনও ভাবেই ফিরতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। নয়ত দল এবং কোচ উভয়েরই ওপর সৃষ্টি হবে চাপের। ফলে কেরালা ম্যাচে মরিয়া হয়ে জেতার চেষ্টা করবে লাল হলুদ বাহিনী
দুই বিদেশি ডিফেন্ডারকে একসাথে খেলালে আক্রমণ ভাগে খেলা জমাট বাঁধছে না ইস্টবেঙ্গলের। তাই হয়ত কেরালা ম্যাচে জিকসনকে খেলতে দেখা যাবে সেন্ট্রাল ডিফেন্সে। সাইড ব্যাকে ফিরতে পারেন জোথানপুইয়া। প্রথম একাদশে জায়গা হতে পারে ইস্টবেঙ্গলের প্রাণ ভোমরা মাদিহ তালালের। কোন কারণে ডিয়ামানটাকোস খেলতে না পারলে তার জায়গায় শুরু করবেন অধিনায়ক ক্লেটন সিলভা।
ওদিকে লাল হলুদ জার্সিতেই খেলতে দেখা যেতে পারে আনোয়ার আলীকে। ক্রমশ উজ্জ্বল দেখাচ্ছে সেই সম্ভাবনাকে। সূত্রের খবর অনুযায়ী আপাতত আনোয়ার আলীকে একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে পারে প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি। এই অন্তর্বর্তী নির্দেশের প্রেক্ষিতেই ইস্টবেঙ্গলে দেখা যেতে পারে আনোয়ারকে। এই বিষয়ে আরও একটি শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছে। আর যতদিন না এই শুনানি হচ্ছে ততদিন অন্তর্বর্তী নির্দেশে লাল হলুদ জার্সি পড়ে খেলতে পারেন আনোয়ার আলী বলে মনে করা হচ্ছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার