Donald Trump : হোয়াইট হাউসের পোস্টে ‘দ্য পিস প্রেসিডেন্ট’ বলা হল ট্রাম্পকে! এবার কি তার হাতে আসতে চলেছে নোবেল শান্তি পুরস্কার?

বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে একবার আবারও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজেই বলছেন, “আমি এমন সব যুদ্ধ থামিয়েছি যা আগে কেউ থামায়নি,” এবং এ নিয়ে গর্ব প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের একটি পোস্টে ট্রাম্পকে ‘দ্য পিস প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

গত কয়েক মাস ধরেই গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাত নিয়ে ট্রাম্পের নীরব কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নজর কেড়েছে। গাজা শান্তি চুক্তিতে মধ্যস্থতার খবর দেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি এবং তার প্রশাসন প্রথম দফার সংঘর্ষবিরতি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রচেষ্টার পিছনে শুধুই কূটনীতি নয়, ব্যক্তিগত স্বীকৃতিরও আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। ট্রাম্প নিজে দাবি করছেন, তিনি মোট সাতটি সংঘাত থামিয়েছেন, যার মধ্যে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্তবৈরিতাও অন্তর্ভুক্ত।

হোয়াইট হাউসের পোস্টের ঠিক আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছেন যে ইজরায়েল ও হামাস প্রথম দফার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তিনি নিজেও মিশরে গিয়ে এই মধ্যস্থতার প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিতে পারেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, “আমার ধারণা নেই আমি নোবেল পাব কি না, কিন্তু আমরা সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছি, অষ্টম যুদ্ধেরও খুব কাছে পৌঁছেছি। আমার মনে হয় রাশিয়ার পরিস্থিতিও দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।”

ট্রাম্পের এই দাবিকে শুধু তিনি নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি জানিয়েছেন, নরওয়ের নোবেল কমিটিকে কোনও কারণ খুঁজে বের করতে হবে তাঁকে পুরস্কার না দেওয়ার জন্য। পাকিস্তান সহ একাধিক দেশ ইতিমধ্যেই তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে এই বিষয়টি এখন দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। যদিও নোবেল শান্তি পুরস্কারের চূড়ান্ত ঘোষণা শুক্রবার করা হবে, তবু হোয়াইট হাউসের পোস্ট এবং ট্রাম্পের উচ্ছ্বাস ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

আরও পড়ুনঃ Khagen Murmu: খগেন মুর্মুর উপর হামলার তিন দিন পর অবশেষে পুলিশের বড় পদক্ষেপ, ধৃত দুই অভিযুক্ত, বাকি ৬ জন পলাতক!

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই প্রচেষ্টা শুধুই রাজনৈতিক সুবিধা নয়, বরং তিনি ইতিহাসে এক অনন্য চেষ্টার প্রতীক হতে চাইছেন। যদিও নোবেল কমিটি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রহস্য রেখে থাকে, ট্রাম্পের দৃঢ় বিশ্বাস এবং তার কূটনৈতিক পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে। এবার দেখার বিষয়, কি সত্যিই ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ খেতাব নিয়ে ট্রাম্পের হাতে নোবেল পৌঁছায় কি না।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর