ক্রমশই বাড়ছে কলকাতা, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা। তবে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হুগলির কনটেইনমেন্ট জোনগুলি উদ্বেগ বাড়ছে স্বাস্থ্য ভবনের। আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ওই ৩ জেলাতেই কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে তৈরি বিশেষ নজরদারি টিম নামছে। সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ, ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের চারজন করে চিকিৎসককে নিয়ে এই বিশেষ নজরদারি তিনটি দল তৈরি করা হয়েছে।
কনটেইনমেন্ট জোনে নজরদারি, সংক্রমণ রোধ করার পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহে ৪ জন করে কমিউনিটি মেডিসিনের শিক্ষকদের নিয়ে তৈরী ওই দল ঘুরে দেখবে। এমনই নির্দেশ গেল মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছে।
তিন জেলার কনটেইনমেন্ট জোনের জন্য চারজন করে কমিউনিটি মেডিসিনের চিকিৎসকদের নিয়ে বিশেষ নজরদারি দল তৈরি করে ফেলেছে স্বাস্থ্য ভবন। এমন উদ্যোগ রাজ্যে এই প্রথম। ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলগুলিতে ওই বিশেষ টিম তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং কিভাবে সেখানে সংক্রমণ ঠেকানো যায় সেই বিষয়ে পরিকল্পনা তৈরি করে স্বাস্থ্য ভবনকে তাঁরা প্রতিদিন খবর পাঠাবেন।
কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে তৈরি এই নজরদারি দল সংশ্লিষ্ট জেলার কোথায় কোথায় কনটেইনমেন্ট জোন রয়েছে, সেইসব কনটেইনমেন্ট জোনকে কিভাবে রক্ষা করা হবে, সেখানে কাদের সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে বা কারা কারা আক্রান্ত হয়েছেন, কিভাবে তাঁদের পরীক্ষা করা উচিত, কতজন আক্রান্ত তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিচার করা হবে। সেই জেলার কনটেইনমেন্ট এলাকায় কি কি করা উচিত এবং কি কি তথ্য রয়েছে তা প্রতিদিন সন্ধে ছটার মধ্যে স্বাস্থ্য ভবনকে জানাবে ওই দল।






