“আমার মেয়ে হাঁটতে পারে না, পা বেঁকে যায়…কিন্তু আমরা আশা হারাইনি” আবেগঘন কণ্ঠে জানালেন বরুণ ধাওয়ান! বিরল রোগে আক্রান্ত অভিনেতার একরত্তি কন্যা ‘লারা’, চিকিৎসার পদ্ধতি কী? সুস্থ হতে লাগবে কতদিন?

বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান সম্প্রতি এক আবেগঘন অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন, যা ছুঁয়ে গিয়েছে অসংখ্য অনুরাগীর মন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ছোট্ট মেয়ে লারা একটি জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিল, যার নাম ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ হিপ। এই রোগের কারণে শিশুর হিপের গঠন সঠিকভাবে তৈরি হয় না, ফলে হাঁটা চলায় সমস্যা দেখা দেয়।

একটি পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে বরুণ জানান, লারার ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই কিছু সমস্যা চোখে পড়ছিল। পায়ে ভারসাম্য রাখতে পারছিল না সে, এমনকি স্বাভাবিকভাবে হাঁটা বা দৌড়ানোও কঠিন হয়ে উঠেছিল। একজন বাবা হিসেবে এই সময়টা তাঁর কাছে খুবই উদ্বেগের ছিল, তবে তিনি সাহস হারাননি এবং দ্রুত চিকিৎসার পথে এগিয়ে যান।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী লারাকে কিছুদিন স্পাইকা কাস্টে রাখা হয়, যা ছোট্ট শিশুর জন্য যেমন অস্বস্তিকর, তেমনই পরিবারের কাছেও কঠিন সময়। এই কাস্ট লাগানোর আগে লারাকে অজ্ঞান করতে হয়েছিল বলেও জানান অভিনেতা। প্রায় আড়াই মাস ধরে চলা এই চিকিৎসা পর্ব ছিল ধৈর্য এবং মানসিক শক্তির বড় পরীক্ষা।

তবে আশার কথা, এখন লারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। বরুণ জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার ছাড়াই চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যার উন্নতি সম্ভব হয়েছে। তিনি এই অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন শুধু নিজের গল্প বলার জন্য নয়, বরং অন্য অভিভাবকদের সচেতন করতে, যাতে তারা সময়মতো চিকিৎসা করান এবং ভয় না পান।

আরও পড়ুনঃ consensual live-in : বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে লিভ-ইন অপরাধ নয়! আদালতের এই সিদ্ধান্ত কি পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক নিয়মকে বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে?

উল্লেখযোগ্য, ২০২৪ সালে জন্ম হয়েছে বরুণ ও নাতাশা দালাল-এর মেয়ে লারার। একই সঙ্গে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত রয়েছেন অভিনেতা। তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছে বর্ডার টু ছবিতে, যেখানে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মন জয় করেছে। ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন সময়েও ইতিবাচক বার্তা দেওয়ায় প্রশংসিত হচ্ছেন বরুণ।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles