মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া লকডাউন আস্তে আস্তে উঠতে চলেছে। শিথিল হচ্ছে কঠিন নিয়মাবলী! দেশ জোড়া লকডাউন এর কঠোর নির্মম চিত্র দেখেছে ভারতবাসী। চাকরি হারিয়েছে প্রচুর, খাদ্যের হাহাকারে মরতে বসেছে একশ্রেণীর মানুষ। কিন্তু প্রশ্ন হল, লকডাউনে কি আদৌ কিছু সুফল হয়েছে? কেন্দ্র দাবি করেছে, লকডাউনের ফলেই করোনা ভাইরাসের জেরে ৫৪ হাজার মৃত্যু আটকানো গেছে ভারতে৷
নীতি আয়োগের ডেটা বলছে, প্রথম পর্যায় ও দ্বিতীয় পর্যায়ের লকডাউনের জেরে ১৪ থেকে ২৯ লক্ষ করোনা আক্রান্ত এড়ানো গিয়েছে৷ এছাড়া ৫৪ হাজার মৃত্যুও এড়ানো গিয়েছে৷ গত ২৫ মার্চ ভারতে লকডাউন শুরু হয়৷ বর্তমানে চতুর্থ পর্যায়ের লকডাউন চলছে দেশে৷
নীতি আয়োর সদস্য বিনোদ পালের কথায়, ‘লকডাউন ১ ও ২ থেকে ডেটা সংগ্রহ করেই এই মূল্যায়নটি করা হয়েছে৷ পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত দেশে৷ আমরা যে ডেটা তৈরি করেছি, তা ৯৫ শতাংশ সঠিক বলেই আমরা নিশ্চিত৷ যার মূল বক্তব্য, দেশ সঠিক পথেই রয়েছে৷’
নীতি আয়োগ ছাড়াও আরও কয়েকটি সংস্থার ডেটা বলছে ৩৭ হাজার থেকে ৭৮ হাজার মৃত্যু এড়ানো গিয়েছে লকডাউনের ফলে৷ তথ্য বলছে, দেশের ৯০ শতাংশ করোনা ভাইরাস কেসই মহারাষ্ট্র, গুজরাত, তামিলনাড়ু, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গে৷ বিনোদের কথায় ডেটা বলছে, করোনা মূলত শহরাঞ্চলেই বেশি আঘাত করেছে৷ গ্রামাঞ্চলকে কাবু করতে পারেনি খুব একটা৷
ভারতে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৪৭৷ সাড়ে ৩ হাজারের উপর মৃত্যু হয়েছে৷ প্রায় ৪৯ হাজার মানুষের করোনা সেরে গিয়েছে৷





