মা মারা যাওয়ার পর থেকেই ছোট্ট মেয়েটির ওপর চলতে থাকে বাবা ও দাদুর শারীরিক নিগ্রহ। যার চলতে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে৷ তবে সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ওই নাবালিকার গর্ভপাতের অনুমতি দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট৷
থাঞ্জাভুর জেলার বাসিন্দা ওই কিশোরী, বাবা ও দাদুর ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। কিন্তু গর্ভাবস্থার ২৫ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তার গর্ভপাত করা হয়নি। এরপর ওই নাবালিকার মামা মাদ্রাজ হাইকোর্টে ভাগ্নির গর্ভপাতের আবেদন করলে বিচারপতি আর পোঙ্গিয়াপ্পা সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। অন্যদিকে ওই নাবালিকার বাবা এবং দাদুকে পকসো আইনের আওতায় মামলা রুজু করে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷
‘মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি অ্যাক্ট’ অনুসারে, গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ অতিক্রান্ত হলে আর গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া যায় না৷ কিন্তু ওই আইনের ৫ নম্বর ধারাতেই কয়েকটি ব্যতিক্রম উল্লেখিত রয়েছে৷ তার ভিত্তিতেই বিচারপতি জানান যে নাবালিকার মানসিক অবস্থা ও স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে গর্ভপাতের রায় দিয়েছে আদালত।
ওই নাবালিকার গর্ভপাত করানো সম্ভব কি না, তা দেখার জন্য থাঞ্জাভুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডিনকে একটি কমিটি গঠন করতে বলেছিল আদালত। সেই বিশেষ কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী বলা হয়েছে, নির্যাতিতার সামাজিক ও মানসিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তার গর্ভপাত করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে৷ এরপর হাসপাতালকে নাবালিকার স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখে গর্ভপাত করানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমান হিসেবে ভ্রূণের নমুনা সংরক্ষণ করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার