কাজের জন্যে একটি স্কুটারের খুব প্রয়োজন ছিল। তাই কড়া সুদে ধার নিয়েছিলেন মহাজনদের কাছ থেকে। কিন্তু করোনার জেরে শুরু হয় লকডাউন। আর তাতেই কাজ হারান ওই ব্যক্তি। এরপর বাড়তে থাকে মহাজনদের অত্যাচার। তারপরই অপমানে আত্মঘাতী হন ওই যুবক। সঙ্গে মিলেছে একটি সুইসাইড নোটও।
উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের প্রমোদনগরের বাসিন্দা ভজন বিশ্বাস পেশায় একজন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিলেন। কাজের সুবিধার জন্য ৩৫,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে স্কুটার কিনেছিলেন বছর ২৬ এর ভজন। এর জন্য প্রতিদিন তাঁকে মহাজনকে ৪৫০ টাকা করে সুদ দিতে হতো। অভিযোগ লকডাউনে কাজ হারানোয় টাকা দিতে পারেননি নি তিনি। এরপরই বাড়তে থাকে অত্যাচার। টাকা দিতে না পারায় প্রথমে স্কুটার, তারপর সাইকেল এমনকি তাঁর মোবাইলটাও কেড়ে নেয় মহাজনরা।
পরিবার সূত্রের খবর, সুইসাইড নোটে মহাজনদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ জানিয়ে রবিবার আত্মঘাতী হন ওই যুবক। এরপর বারাসাত থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃতের পরিবার। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ অভিযুক্তকে।





