ভারত জনসংখ্যার হার এ বিশ্বে দ্বিতীয় দেশ। দেশে উত্তরোত্তর জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। এবার সেই বৃদ্ধির হারে লাগাম আনতে চাইছে কেন্দ্র। তাই এবার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ প্রচারের জন্য; দুইয়ের অধিক সন্তান থাকলে প্রার্থীদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়তে দেওয়া যাবে না, এই নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে যোগী সরকার।
দুইয়ের অধিক সন্তান হলে; আর ভোটে দাঁড়ানো যাবেনা উত্তরপ্রদেশে। ভোটে দাঁড়াতে হলে থাকতে হবে শিক্ষাগত যোগ্যতাও। মোদি সরকার যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছে, সেই সিদ্ধান্ত এবার কাজে লাগাতে চলেছে যোগী সরকার। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশে, এই নির্বাচনের ব্যাপারেই বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বড় সংশোধনের প্রস্তুতি আরম্ভ হয়েছে এই রাজ্যে।
উত্তরপ্রদেশের ৫৯০০০ পঞ্চায়েতের কার্যকাল শেষ হতে চলেছে এই বছরের ডিসেম্বরের ২৫ তারিখে। কিন্তু করোনা আবহ থাকার কারণে এই বছর কোন ভোট হবে না। যোগীর রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট হবে সামনের বছরের যেকোনো এক সময়ে। আর সেই ভোটেই দুইয়ের বেশি সন্তান হলে আর ভোটে দাঁড়ানো যাবে না এমন আইন আনতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার।
সূত্র অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতাও বেঁধে দেওয়া হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য। গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে মহিলা ও সংরক্ষিত প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি করা হবে এবং পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের নির্বাচনের জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা বাড়িয়ে দশম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। এই বিষয়ে পঞ্চায়েত রাজ আইনে সংশোধনী আনার জন্য খুব শীঘ্রই ক্যাবিনেটে প্রস্তাব পেশ করা হবে।
উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিং চৌধুরী স্বয়ং এই আইনের পক্ষে আছেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জীব বালিয়ান সমেত অন্যান্য নেতারা এই আইন লাগু করার জন্য উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে একত্রে চিঠি লিখেছেন। সূত্র অনুযায়ী জানা যাচ্ছে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও নির্দেশিকা জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যদিও শেষ সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নেবেন। উক্ত সিদ্ধান্ত লাগু হলে এক নতুন বদল আসতে চলেছে দেশে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন – অন্তরা ঘোষ






