সুশান্তের ফ্ল্যাটমেট তথা ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার সিদ্ধার্থ পিঠানির (Sidhharth Pithani) বয়ানে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি সিবিআইয়ের (CBI) জেরায় জানিয়েছেন, প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের (Disha Salian) মৃত্যুর পর রীতিমতো ভীত হয়ে গিয়েছিলেন সুশান্ত (Sushant Singh Rajput)। পাগলের মতো নিজের ল্যাপটপ, ক্যামেরা, হার্ডডিস্ক খুঁজছিলেন। কিন্তু রিয়া চক্রবর্তী (Rhea Chakraborty) এইসব জিনিস গুলি নিয়ে চলে গিয়েছিলেন। রিয়ার কাছে ছিল এই সমস্ত জিনিসের পাসওয়ার্ড। সুশান্ত রিয়াকে ফোন করেন কিন্তু রিয়া ফোন ধরেননি।
স্বাভাবিকভাবেই সিদ্ধার্থের এই বয়ানে রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে কারণ তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে যোগসূত্র রয়েছে সুশান্তের অস্বাভাবিক মৃত্যুর।
৮ই জুন মালাডের ফ্ল্যাট থেকে ঝাঁপ দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন দিশা। মুম্বই পুলিশ এই ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক মৃত্যু বা খুন বলতে নারাজ ছিল। তার ছয়দিন পরেই সুশান্ত সিং রাজপুতের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সেটিকেও মুম্বই পুলিশ শুরুতেই জানিয়ে দিয়েছিল আত্মহত্যা। কিন্তু পরে গোটা ঘটনাটি অন্য দিকে মোড় নেয়। এমন কিছু তথ্য উঠে আসতে থাকে যার থেকে মনে হতে থাকে যে দিশার মৃত্যুর সঙ্গে সুশান্তের মৃত্যুর সরাসরি কোনো যোগাযোগ রয়েছে।
এর মধ্যেই সিদ্ধার্থের বক্তব্য এই দাবিকে অনেকটাই প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। তাঁর দাবি, গত ৮ জুন দিশার মৃত্যুর খবর পেয়ে সুশান্ত অত্যন্ত বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন। নিজেও প্রাণ ভয়ে ভীত হয়ে পড়েছিলেন। সুশান্ত তাঁকে নিজের সুরক্ষা বাড়ানোর কথাও বলেছিলেন।
আবার ৮ই জুন তারিখেই সুশান্তের ফ্ল্যাট ছেড়ে সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে চলে যান রিয়া চক্রবর্তী। সুশান্ত’র আশঙ্কা ছিল রিয়া তাঁকে কোনোভাবে ফাঁসিয়ে না দেন। এই মামলার জন্য তাই সিদ্ধার্থের এই বয়ান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে দাবি তদন্তকারীদের।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার