তৃণমূলের অস্তিত্ব সংকটে কথাটা হয়ত এখন বলাই যায়। একের পর এক তৃণমূল নেতাদের ক্রমে দলবদল ক্রমশই সংকট বাড়াচ্ছে শাসক শিবিরের।
শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক এখন তলানীতে। শুভেন্দুর অন্য দলে যাওয়া এখন প্রায় সময়ের অপেক্ষা বললেই চলে।
এরই মধ্যে অস্বস্তি বাড়িয়েছেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে তার একের পর এক বাক্য তাঁকে বঙ্গ রাজনীতিতে শিরোনামে নিয়ে চলে এসেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিনকয়েক আগেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপর থেকেই তাঁকে নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে ভোট পূর্ববর্তী বাংলার রাজনীতিতে।
তবে নিজের অবস্থান থেকে তিনি যে একচুলও সড়েননি তা ফের স্পষ্ট করলেন বনমন্ত্রী।
হুগলির কামারপুকুর চটিতে সনাতন ব্রাক্ষণ ট্রাস্টের প্রকাশ্য সমাবেশে ফের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন তিনি।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ঠাকুর বলে গেছেন যত মত তত পথ।” আর শ্রীরামকৃষ্ণের এই মতকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আগামী দিনে রাজনীতির আঙিনায় তাঁর কাজ কি হবে তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রেখে গেলেন বনমন্ত্রী। এদিন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এই অরাজনৈতিক সমাবেশে বলেন, “মানুষের কাজ করার জন্য কোনো মতে যদি অসুবিধা হচ্ছে মনে হয় তাহলে অনেক পথ খোলা আছে। সেই পথ থেকে কেউ কাউকে সরাতে পারবে বলে আমি মনে করি না।” কিন্তু কি সেই পথ তা নিয়ে খোলসা করে কোনও কথা বলেননি বনমন্ত্রী। বরং প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তরেই রাজীববাবু এটা অরাজনৈতিক সমাবেশ। এখানে রাজনৈতিক কথা বলা শোভা পায় না বলে এড়িয়ে গিয়েছেন।
তবে গতকাল সনাতন ব্রাক্ষণ ট্রাস্টের সমাবেশে মন্ত্রী বলেন, যতদিন তিনি বাঁচবেন ততদিন যেন মানুষের পাশে থেকে কাজ করার সুবুদ্ধি দেন ঠাকুর। এও জানান, তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছেন সংখ্যার ভিত্তিতে নয় চারিদিকে ব্লকে ব্লকে যারা সত্যিকারের দুস্থ ব্রাক্ষণ পুরোহিত আছেন, আর যারা দুস্থ নয় প্রত্যেকেরই ন্যায্য দাবি বিবেচনা করা হোক।





