বাংলায় ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক আস্ফালন দেখা গেছে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের। খুন ,ধর্ষণ , দোকান ভাঙচুর, লুটপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর একাধিক ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছে তৃণমূল।
বাংলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল।
এরইমধ্যে এবার বিজেপিকে সমর্থন করায় এক ব্যক্তির দোকান লুঠপাটের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের সিউড়ি ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত খোসনাতোড়ে। শনিবার রাতে লুঠপাটের পাশাপাশি ব্যাপক ভাঙচুর ও বোমাবাজিও করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রায় ৯ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র লুঠপাট হয়েছে বলে দাবি করেন কাজল মণ্ডল নামে ওই বিজেপি কর্মী।
রবিবার লন্ডভন্ড কাপড়ের দোকানে বসে কাজলবাবু জানান, পাঁচ বছর ধরে এলাকায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর পর বিজেপিকে সমর্থন জানান তিনি। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে কাজ করেন। সেই রোষেই শনিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ তাঁর দোকানে ভাঙচুর করেছে তৃণমূল।
আরও পড়ুন-মৃতদেহের ভিড়ে বিকল হচ্ছে চুল্লি! নিমতলা মহাশ্মশান স্তুপাকৃতি ৩০০ মৃতদেহ
কি ঘটেছিল ঐদিন ? আক্রান্তের কথায় শনিবার তৃণমূলের ব্লক স্তরের এক বৈঠকে নাকি এই হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। এর পর কয়েকশ তৃণমূল দুষ্কৃতী লাঠি বোমা নিয়ে তাঁর দোকানে হামলা চালায়। ইদের আগে দোকানে অতিরিক্ত পোশাক মজুত করা ছিল। প্রায় ৯ লক্ষ টাকার পোশাক লুঠ করে পালায় দুষ্কৃতীরা। কাজলবাবু বলেন, ‘আমাকে শেষ করে দেওয়া, এলাকাছাড়া করার পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল।’
এই আক্রমণের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি এলাকায় পৌঁছয় পুলিশ। অভিযোগও দায়ের করা হয়। তবে বিজেপির অভিযোগ বহাল তবিয়তে অভিযুক্তরা এলাকাতেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।
তবে এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার