কথা তো ছিলই, কাজও হল সেইমতোই। নির্দিষ্ট দিনেই তৃণমূলে যোগ দিলেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো ফালেইরো। তাঁর সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন নেতাও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন। দলে যোগ দেওয়া আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেন একটি বৈঠকও করেন লুইজিনহো। গত সোমবারই তিনি কংগ্রেসের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।
লুইজিনহো ও আরও কিছুজনের একসঙ্গে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ফলে তৃণমূলের শক্তি যেমন বাড়ল, তেমনই বাংলার বাইরেও তৃণমূলের ঘাঁটি আরও কিছুটা শক্ত হল। আজ, বুধবার লুইজিনহো ও বাকি নেতাদের উত্তরীয় পরিয়ে তৃণমূলে স্বাগত জানান দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও সৌগত রায়ও।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বেশ অনেকদিন ধরেই নাকি কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল লুইজিনহোর। এদিকে গত শুক্রবারই গোয়া যান তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন ও প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবী, তারা লুইজিনহোকে তৃণমূলে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
ছোটো ছোটো নানান রাজ্য দখলের মাধ্যমেই জাতীয় রাজনীতিতে ক্ষমতা বিস্তার করতে চাইছে তৃণমূল। এই কারণে এবার ত্রিপুরার পাশাপাশি গোয়াতেও সংগঠন বাড়াতে উদ্যত ঘাসফুল শিবির। এও জানা যাচ্ছে আগামী বছর সে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে জেতে পারেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জিতেছিল ১৭টি আসন। আর বিজেপি পেয়েছিল ১৪টি আসন। কিন্তু বেশি আসনে পাওয়ার পরও ক্ষমতা পায়নি কংগ্রেস। কারণ সেই সময় দল বদলে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে। এর ফলে ক্ষমতার মসনদে বসে গেরুয়া শিবির। এবার সেই গোয়াকেই পাখির চোখ করেছে তৃণমূল। আর কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীই হলেন তৃণমূলের প্রথম শিকার।
আরও পড়ুন- ‘প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের ভরসা করেন না’, কলকাতায় ফিরেই কেন্দ্রকে শানিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বাবুলের
সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনের আগে সে রাজ্যে প্রচারে যেতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে এই বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল নিজেই ময়দানে নামবে কী না, তা এখনও জানা যায়নি।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার