নতুন বছরে নতুন খবর নিয়ে হাজির অভিনেত্রী সোহিনী সেনগুপ্ত। মা হচ্ছেন তিনি। না, তবে এই কেরামতি স্টার জলসার নয়, বরং কালার্স বাংলার। কী অবাক হচ্ছেন?
আসলে, নতুন বছরে অর্গানিক স্টুডিয়োর তরফে আসছে নতুন ধারাবাহিক, ‘সোনা রোদের গান’।সেই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র আনন্দীর মায়ের ভূমিকায় দেখা যাবে সোহিনীকে। বাবার ভূমিকায় ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ধারাবাহিকে আনন্দীর ভূমিকায় দেখা মিলবে পায়েল দে-র।
লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের চিন্তাভাবনায় তৈরি হিন্দি ধারাবাহিক ‘থোড়া সা বাদল থোড়া সা পানি’-র বাংলা সংস্করণ হবে এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য লিখছেন শর্বরী ঘোষাল। আনন্দীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পেতে আগ্রহী দুই পুরুষ। একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ী বিক্রম আর অন্যজন চিকিৎসক অনুভব। বিক্রমের চরিত্রে দেখা যাবে সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও অনুভবের চরিত্রে দেখা যাবে ঋষি কৌশিককে।
‘এখানে আকাশ নীল’-এর পর ফের চিকিৎসকের ভূমিকায় ঋষি কৌশিক। আনন্দীর সঙ্গে মনের মানুষ কী অনুভবই? প্রাথমিকভাবে তা জানা না গেলেও ঋষি কৌশিক জানান যে তিনিই আনন্দীর হিরো।
লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্পে এমনিতেও প্রাধান্য দেওয়া হয় নারীদের। ‘সোনা রোদের গান’ ধারাবাহিকেও এক সাধারণ মেয়ের কথাই বর্ণিত হবে। আনন্দী তাঁর মা-বাবার চোখের মণি। সংসারের জন্য নিজের সমস্ত সুখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিতে পারে সে। বিক্রমের সঙ্গে বিয়ের ঠিক হয় তাঁর। কিন্তু সেই সময়ই তাঁর বাবা আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই মুহূর্তে বাবার চিকিৎসা করাতে তৎপর হয় আনন্দী। সেই সময়ই তাদের বাড়িতে পা রাখেন চিকিৎসক অনুভব। এরপর গল্প কী মোড় নেয়, তা তো দেখা যাবে টিভির পর্দায়।
লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের হিন্দি ধারাবাহিক এবার বাংলায় ভাষান্তরিত হচ্ছে। এই বিষয়ে তাঁর ছেলে অর্ক গঙ্গোপাধ্যায় এক সংবাদমাধ্যমে বলেন, “আমাদের ধারাবাহিকের মান এমনিতেই জাতীয় স্তরের। কারণ, আমরা মনে করি দেশের সব অঞ্চলের মানুষ প্রায় একই রকমের অনুভূতিপ্রবণ। তাই ছোটখাটো বদল ছাড়া বেশি কিছু পাল্টাতে হয় না। ফলে, খাটনি কম। তবে মজা লাগছে”। এই ধারাবাহিক কে পরিচালনা করবে, তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বছরের শেষের দিকেই ধারাবাহিকের শুটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার