বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই রাজ্য ও রাজনীতিতে যে নামটি ভীষণ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, তা হল অর্পিতা মুখপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) নাম। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই মডেল-অভিনেত্রীর টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে গত শুক্রবার ইডি (Enforcement Directorate) উদ্ধার করেছে ২১ কোটি টাকা ও ৫০ লক্ষ টাকার বেশি গয়না। তাঁর রথতলার আবাসনের ফ্ল্যাটেও গতকাল হানা দেয় ইডি।
এই রথতলার ফ্ল্যাট থেকেও উদ্ধার হয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা, তাল তাল সোনা-রুপো। এরপরই বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ একটি বিস্ফোরক টুইট করেন। তিনি টুইটে দাবী করেন যে অর্পিতার রথতলার ওই আবাসনে নাকি তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের যাতায়াত ছিল। এর পাল্টা জবাব দিলেন দমদমের বর্ষীয়ান সাংসদ। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বললেন যে এই কথা যদি প্রমাণ করতে পারে, তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
টুইট করে দিলীপ ঘোষ লেখেন, “বেলঘরিয়ায় আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ৩৫ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার হয়েছে। ওই আবাসনে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়েরও যাতায়াত ছিল। সেখানে তাঁর একটি অফিসও রয়েছে। যত সময় যাবে ততই তৃণমূল নেতার নোংরা মুখোশ খুলবে”।
এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে সৌগত রায় জানান, “রথতলার ওই আবাসনে এক ফ্ল্যাট আছে। যেটা আমাকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছিল। আমি ওটার মালিকও নই, ভাড়াও দিই না। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে আমি চিনতাম না। কোনওদিন ওর ফ্ল্যাটও যায়নি। কার টাকা, তাও জানি না”।
এরপরই কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, “কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি অর্পিতাকে চিনতাম বা নাকতলার পুজোয় যেতাম, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। কেউ যদি দেখাতে পারে আমার নামে কোনও জমি-বাড়ি আছে, তাহলেও আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব”।
এখানেই শেষ নয়। এই নিয়ে বিজেপি ও বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষকেও আক্রমণ করেন সৌগত রায়। তাঁর কথায়, “এটা বিজেপি, দিলীপ ঘোষদের চক্রান্ত। কিন্তু আমি বিজেপির বিরুদ্ধে ছিলাম, আছি, থাকব”।





