সামনেই আসছে গঙ্গাসাগর মেলা। দু’বছর বাদে করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে এই বারের মেলায় যে ভিড় আরও বেশি হবে, তা বলাই বাহুল্য। মেলায় কেউ নাশকতার চেষ্টা করতে পারে, সেই আশঙ্কা থেকে তাই নিরাপত্তা নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও পুণ্যার্থী যাতে স্টোভ বা বন্দুক নিয়ে মেলায় প্রবেশ ন করেন, সেদিকে কড়া নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
আজ, বুধবার নবান্নের সভাগৃহে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। এদিনের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একাধিক সতর্কমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আলোচনা করা হয়। এদিন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীকে জানান যে অনেক পুণ্যার্থী ছোটো ছোটো তাঁবুতে খাবার তৈরির জন্য আগুন জ্বালান। এর থেকে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা থাকে।
কোনওভাবেই যাতে আগুন না জ্বালানো হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখার কথা বলেন অরূপ বিশ্বাস। একথা শোনার পর মমতা নির্দেশ দেন যাতে কোনও পুণ্যার্থী মেলায় স্টোভ বা বন্দুক নিয়ে প্রবেশ না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পুণ্যার্থীদের জন্য খাবারের বন্দোবস্ত করে। সেই কারণে আলাদা করে খাবার তৈরি করার কোনও প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তাঁর কথায়, “দু’জন খারাপ কাজ করবে, তার ফল ভুগতে হবে ২০০ জনকে। কেউ বন্দুক বা স্টোভ নিয়ে না মেলায় ঢোকেন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সিসিটিভিতেও দেখে নেবে”।
এদিনের এই বৈঠকে গঙ্গাসাগর মেলায় নাশকতার আশঙ্কাও করেন অনেকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অনেকেই নাশকতা, দাঙ্গা করার পরিকল্পনা করবে। সেগুলি ভেঙে দিতে হবে। গোটা দেশ থেকে লাখ লাখ পুণ্যার্থী আসবেন। রাজ্য-কেন্দ্র মিলে কাজ করতে হবে। সকলকে নিরাপত্তা দিতে হবে”।
গঙ্গাসাগর মেলায় নিরাপত্তার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। নিরাপ্ততায় নজরদারির জন্য থাকবে মেগা কন্ট্রোল রুম। গোটা মেলায় থাকবে ১১৫০টি সিসিটিভি। ড্রোনে চলবে নজরদারি। গঙ্গাসাগরে যাতে অগ্নিকাণ্ডের কোনও ঘটনা না ঘটে, সেই কারণে ১০রি অস্থায়ী দমকল কেন্দ্র থাকবে। সব মিলিয়ে ২৫টি ইঞ্জিন থাকবে বলেও জানা গিয়েছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার