এসেছিল পুলিশের কনস্টেবল পদের জন্য পরীক্ষা দিতে। কিন্তু এসে নিজেরাই পুলিশের হাতে আটক হল তারা। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বায়োমেট্রিকের দ্বারা ধরা পড়ল ভুয়ো পরীক্ষার্থী। দুই তরুণী এসেছিলেন অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিতে। এই ঘটনার পিছনে কে বা কারা রয়েছে, তা তদন্ত করছে পুলিশ।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
গত রবিবার ছিল পুলিশের কনস্টেবল পদের পরীক্ষা। মৌলানা আজাদ কলেজে ছিল পরীক্ষা কেন্দ্র। সেখানে দুই তরুণী আসে পরীক্ষা দিতে। তাদের কাছে অ্যাডমিট কার্ড ও অন্যান্য সব নথিই ছিল। প্রথমের দিকে কোনও সমস্যা হয়নি। তবে ভুয়ো পরীক্ষার্থীদের ধরে ফেলল বায়োমেট্রিক টেস্ট। বায়োমেট্রিক টেস্টে দুই তরুণীর হাতের ছাপ মিলছিল না। এর জেরেই সন্দেহ হয় আর তাদের জেরা করতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্যি।
জানা গিয়েছে, দুই ধৃত তরুণীদের নাম রুবি কুমারী ও পুনম কুমারী। এরা দুজন ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। দুই তরুণী পরীক্ষা দিতে এসেছিল মালদহের গাজোলের দুই বাসিন্দার হয়ে। ওই দুজনের নাম মনিকা মুর্মু ও বনিতা টুডু।
পুলিশ সূত্রে খবর, ভুয়ো পরীক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই গোটা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। মালদহে ওই বাসিন্দাদের সঙ্গে কীভাবে ঝাড়খণ্ডের তরুণীদের যোগাযোগ হল? যোগ সূত্রই বা কে? তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, শুধুমাত্র মৌলানা আজাদ কলেজই নয়, হাজরা ল’ কলেজেও ঘটেছে এমন ঘটনা। সেখানেও ধরা পড়েছে ভুয়ো পরীক্ষার্থী। অভিযোগের ভিত্তিতে হাজরা ল’ কলেজে পরীক্ষা দিতে আসা ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে বালিগঞ্জ থানার পুলিশ। জানা গিয়েছ, ধৃতদের নাম দেবেশ কুমার, জিতেশ কুমার সিং, বিরাট কুমার, আশুতোষ কুমার, বিনোদ কুমার ও পিন্টু কুমার। এরা সবাই বিহারের বাসিন্দা।
হাজরা ল’ কলেজে পরীক্ষা দিতে গিয়ে ধরা পড়ে এই ছ’জন। হাতের ছাপ ও মুখের সঙ্গে বায়োমেট্রিকে মিল পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশের কাছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এই ধৃত ৬ জন দীলিপ মুর্মু, প্রণব মণ্ডল, বেচন চৌধুরী, মহম্মদ সওকত আলম, রাজেশ রজক ও ইন্দ্রজিৎ ঘোষের হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিল এদিন।





