জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠাই’ এক সময় টিআরপি তালিকার শীর্ষে ছিল ৫২ সপ্তাহ ধরে। তিন বছর পার হলেও এই ধারাবাহিক এবং এর অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ কমেনি। সম্প্রতি আদৃত রায় এবং সৌমিতৃষা কুণ্ডুর সম্পর্ক নিয়ে উঠা জল্পনার বিষয়ে কথা বলেছেন আদৃত। মিঠাই-এর সেটে তাদের কাজের সময় নাকি ব্যক্তিগত কোনো ঝামেলা ছিল কিনা—এই বিষয়টি দর্শক এবং ভক্তদের মধ্যে অনেকদিন ধরেই চর্চার বিষয়।
আদৃত স্পষ্ট করেছেন যে, সৌমিতৃষার সঙ্গে তাঁর কোনো অসুবিধা বা ঝগড়া কখনও হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা যদি কোনো সমস্যার মধ্যে থাকতাম, তাহলে আড়াই বছর ধরে ধারাবাহিক টানা চালানো সম্ভব হতো না। আমরা দুজনেই পেশাদার এবং সেটে কোনো দূরত্ব কাজের উপর প্রভাব ফেলেনি।” তার কথায় বোঝা যায়, ব্যক্তিগত জীবনের ফিসফিস কল্পনার চেয়ে কাজের প্রতি তাদের মনোযোগ বেশি ছিল।
তিনি আরও জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে বন্ধুত্ব গড়তে তিনি আসেননি, বরং কাজ করতে এসেছেন। আদৃতের বন্ধুদের গ্রুপ রয়েছে যাদের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সময় কাটান। তিনি বলেন, “আমি আমার কাজের বন্ধুগণের সঙ্গে হ্যাং আউট করি না, আমার বন্ধুরা ৩০-৩১ বছর ধরে আমার পাশে।” তবে সৌমিতৃষাকে তিনি যথেষ্ট প্রশংসা করেছেন। তার মতে, মিঠাই-এর মতো শোতে কাজ করা সহজ নয় এবং সৌমিতৃষা ছিলেন খুবই যত্নশীল ও সহায়ক সহ-অভিনেত্রী।
যদিও তারা বন্ধু নন, তবুও পারস্পরিক সম্মান বজায় ছিল। আদৃত জানান, তারা দেখা করতেন, মজা করতেন, কিন্তু বেশি ব্যক্তিগত সময় কাটাতেন না। তিনি বলেন, “আমাদের আলাদা আগ্রহ, আলাদা জীবনধারা, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা একে অপরকে সম্মান করি না। অনেক কিছু ভক্তরা নিজেই কল্পনা করেছেন।” এটি পরিষ্কার করে যে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে গসিপের চেয়ে পেশাদারিত্ব তাঁদের প্রথম ছিল।
আরও পড়ুনঃ “সবকিছু শুরু হয় ঘর থেকেই, বাবারা চিৎকার করবে আর মায়েরা চুপ থাকবে কেন?” বাবা-মায়ের সম্পর্কই শিশুর মানসিক গঠনের মূল! জন্মদিনে মুখ খুললেন ‘মারদানি’ রানী মুখোপাধ্যায়!
টলিপাড়ায় শুরুর দিকে মিঠাই-এর নায়ক-নায়িকার মধ্যে রোম্যান্টিক জল্পনা ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে আদৃতের সঙ্গে কৌশাম্বি চক্রবর্তীর প্রেম জুটি গড়ে ওঠে। সৌমিতৃষা শেষ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না, এমনকি নিমন্ত্রণপত্রও তিনি পাননি। আদৃত-কৌশাম্বির বিয়েতে মিঠাই টিমের সবাই উপস্থিত থাকলেও সৌমিতৃষার অনুপস্থিতি নজর কেড়ে যায়।





