শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়, তাদের নিয়ে আলাদা করে কিছু আর বলার প্রয়োজন হয়ত পড়ে না। পুজোর সময় ময়দান থেকে প্রিন্সেপ ঘাটে তাদের রোম্যান্স দেখে মজেছিল বঙ্গবাসী। সম্প্রতি, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিবাহবিচ্ছেদে সরকারি সিলমোহর পড়েছে। এরপরই শোভন বলেছিলেন, “এবার মুক্তি স্বাদ পেল ও”।
তবে কী এবার এই বিশেষ বন্ধুকে নিয়ে সম্পর্কে আরও একধাপ এগোতে চাইছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র? এর আগে অবশ্য দুর্গাপুজোর দশমীতে বৈশাখীর সিঁথিতে শোভনের সিঁদুর পরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দেখেছে কলকাতাবাসী। কিন্তু এখন তাদের সম্পর্কের সমীকরণ ঠিক কোনদিকে এগোচ্ছে, এই নিয়ে এক সংবাদমাধ্যমে খোলাখুলি কথা বললেন এই জনপ্রিয় জুটি।
বিরাট-অনুষ্কা হোক বা রণবীর-দীপিকা, তাদের সম্পর্কের জনপ্রিয়তা সকলের জানা। তাদের সম্পর্ক থেকেই জন্ম নিয়েছে নতুন শব্দবন্ধ যেমন- দীপবীর, বিরুষ্কা, রালিয়া। তবে এই রাজ্যে শোভন-বৈশাখীও তো বেশ নামী জুটি। তাদের এরকম কোনও শব্দবন্ধ কী রয়েছে?
বৈশাখীর কথায়, এরকম একটা চেষ্টা এর আগে করা হয়েছিল। শোভনশাখী নামের কী একটা প্রচলন ঘটেছিল বটে, কিন্তু তা ফলপ্রসূ হয়নি। বৈশাখী জানান শোভন এর সমাধান বের করেছেন। শোভন-বৈশাখীই জুটি, শোভন নাম আর বৈশাখী হল টাইটেল।
বৈশাখীর ফেসবুক প্রোফাইলের নামে ‘বৈশাখী শোভন বন্দ্যোপাধ্যায়’। এমনটা কেন? বৈশাখী জানান যে শোভনের নিজের কোনও ফেসবুক প্রোফাইল নেই। তিনি তাঁর প্রোফাইল থেকেই মাঝেমধ্যে নিজের মতামত প্রকাশ করেন তাই। তবে বৈশাখী এও জানান যে কোনওদিন হয়ত প্রোফাইলের নাম শুধু শোভন-বৈশাখীই থাকবে।
কিন্তু তাদের সম্পর্ক ঠিক কোনদিকে এগোচ্ছে? শুধুই কী বিশেষ বন্ধু নাকি অন্য কিছু? এর ‘বিজ্ঞানসম্মত’ ব্যাখ্যা দিয়ে শোভন জানান, “এককথায় উত্তর দিতে গেলে, সবসময় উঠতে-বসতে-দাঁড়িয়ে-চলতে যেটা হয়, তার এককথায় বলা যায় H2O (জলের রাসায়নিক নাম)। এর কোনও আকার নেই কিন্তু অস্তিত্ব আছে। সেই অস্তিত্বকে অস্বীকার করা যায় না। সেই জলের মতোই আমাদের অবিচ্ছেদ্য বন্ডিং। তাই আমরা এত সাবলীল”।





