‘মানুষ আমাদের ভালোবেসেছে’, দাদা-বৌদি বিরিয়ানির নামের আসল রহস্যটা কী? দাদাগিরি র মঞ্চেই ফাঁস করলেন খোদ স্রষ্টাই

দাদা-বৌদি বিরিয়ানি! নামটা শুনলেই কেমন জিভে জল আসে না? বিরিয়ানি মাত্রই লোভনীয়, তায় সেটা যদি আবার দাদা-বৌদির বিরিয়ানি হয়, তাহলে তো কোনও কথাই নেই। তুলতুলে নরম মাংস একটু ছিঁড়ে নিয়ে আলু সহযোগে বিরিয়ানির চাল মুখে পুরে দেওয়ার মধ্যে যে একটা ঐশ্বরিক অনুভূতি হয়, তা কেবল বিরিয়ানি লাভাররাই বুঝবেন।

দাদা-বৌদি বিরিয়ানির নাম শোনেন নি, এমন মানুষ বোধ হয় অন্তত কলকাতায় খুব কমই রয়েছে। দেশেও এই বিরিয়ানির নামের রমরমা রয়েছে। ব্যারাকপুর গেলে ইয়ত একবার ঢুঁ মারতেই হবে এই দোকানে। দূরদূরান্ত থেকে কত মানুষ আসেন এই বিরিয়ানি পেতে। রীতিমতো লাইন দিয়ে তবেই শেষ পর্যন্ত মেলে বিরিয়ানি।     

কেন এই অদ্ভুত নাম?

কিন্তু দাদা-বৌদি বিরিয়ানি কেন? কেন এমন অদ্ভুত নাম এই দোকানের? এবার সেই প্রশ্নের উত্তর মিলল জি বাংলার দাদাগিরির মঞ্চে। সেই নামের পিছনে আসল রহস্য উদঘাটন করলেন খোদ এই দোকানের স্রষ্টাই।

চলছে দাদাগিরির নতুন সিজন। সাধারণ মানুষ থেকে নানান তারকা, সকলে আসছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে দাদাগিরি খেলতে। সম্প্রতি এই মঞ্চে এসেছিলেন নানান বিশিষ্ট খাবারের দোকানের স্রষ্টারা। এসেছিলেন এই দাদা-বৌদি বিরিয়ানির দোকানের স্রষ্টা ধীরেন বাবু ও তাঁর স্ত্রী সন্ধ্যাদেবী। এই মঞ্চেই তারা ভাগ করে নেন কীভাবে তাদের এই বিরিয়ানির দোকানের পথচলা শুরু!

জি বাংলার তরফে একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করা হয়েছে, তাতে নতুন পর্বের প্রোমো দেখা যাচ্ছে। সেই প্রোমোতেই সৌরভকে বলতে শোনা গেল, “দাদার মঞ্চে বিখ্যাত দাদা-বৌদি বিরিয়ানির আসল দাদা-বৌদি! মিস করবেন না”।

এই প্রোমোতেই দেখা যায় দাদা-বৌদি বিরিয়ানির আসল দাদা ও বৌদিকে। স্রষ্টা ধীরেন বাবু জানান, প্রথম প্রথম তারা দিনে ৩ কেজি চালের বিরিয়ানি বানিয়ে তা বিক্রি শুরু করেন। সেই থেকে আজ দিনে ১৫০০ কেজি চালের বিরিয়ানি রান্না হয় তাদের। দাদাগিরির মঞ্চেও আনা হয় সেই বিরিয়ানি। সৌরভও তা চেখে দেখেন। দোকানের নাম প্রসঙ্গে ধীরেন বাবু বলেন, “আমরা মানুষকে ভালোবেসেছি। তারাই আমাদের নাম দিয়েছেন দাদা-বৌদি”। চলতি সপ্তাহের শনিবার বা রবিবার সম্প্রচারিত হবে এই পর্ব।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by ZEE5 Bangla (@zee5_bangla)

এই পর্বের প্রোমো দেখে নানান জন নানান কমেন্ট করেছেন। এক ব্যক্তি লিখেছে, “ব্যারাকপুরবাসী হিসাবে আপনাদের জন্য গর্বিত, আমাদের দাদা বৌদির বিরিয়ানি জিন্দাবাদ”। আবার অন্য একজন লিখেছেন, “দুর্দান্ত, এই পর্ব দেখার অপেক্ষায় রইলাম”। তবে কেউ কেইউ আবার অভিযোগ জানিয়ে এও বলেছেন যে দাদা-বৌদি বিরিয়ানির দোকানের বিরিয়ানির মান নাকি আগের মতো নেই।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles