পুলিশকে রক্ষাকর্তা বলা হয়ে থাকে। কিন্তু সেই পুলিশের বিরুদ্ধেই যদি শোষণের অভিযোগ ওঠে, তাহলে? পুলিশের স্টিকার লাগানো একটি গাড়ি থেকে নেমে এক মহিলাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল। সেই পুলিশের গাড়িকে ঘিরে ক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। ঘটনায় জখম তিন পুলিশ কর্মী। পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে জনতাকে। চারজনকে আটক করা হয়েছে এই ঘটনায়।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে হরিপালের মালিয়ায়। জানা গিয়েছে, মালিয়া স্টেশনে ট্রেন ধরতে যাচ্ছিলেন এক স্থানীয় মহিলা। সেই সময় আচমকাই পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ি থেকে নেমে ওই মহিলাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা দেখে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশের গাড়ি আটক করে রেখে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।
ওই মহিলা জানাচ্ছেন, তিনি ট্রেন ধরে নালিকুল বাজারে যাচ্ছিলেন কপি বিক্রি করতে। মালিয়া স্টেশনের কাছে একটি পুলিশের গাড়ি থেকে দু-চার ব্যক্তি নেমে তাঁকে জোর করে টেনে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। ছেড়ে দিতে বললেও ছাড়ে না তারা। ওই মহিলার চিৎকার করতেই সেখানে জড়ো হয় আশেপাশের লোকজন।
বিনা দোষে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন মহিলারা। এরপরই বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। পুলিশের ওপরে হামলা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হুগলির হরিপালের মালিয়া। পুলিশের জিপ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে বলে অভিযোগ।
এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে হরিপাল থানার পুলিশ। পুলিশ লেখা গাড়ি আটকে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবী তুলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। চরম উত্তেজনা মোকাবিলা করতে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তাড়াও করেন। পুলিশের দাবী, ওই মহিলা রাস্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। সেই কারণেই তাঁকে হাত ধরে তুলছিলেন পুলিশ কর্মীরা। জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টার কোনও ঘটনাই ঘটেনি বলেই দাবী পুলিশের।
এই ঘটনা সম্পর্কে হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানান , “চুরির ঘটনায় একজনকে আটক করা হচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীরা পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখায় এবং পুলিশকে হেনস্থা করার চেষ্টা করে। তখনই পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠি উঁচিয়ে জনতাকে ছত্রভচ্ছ করে। ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে”।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার