মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প, দুজনেই করোনায় আক্রান্ত। শুক্রবার ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজেই টুইট করে এই সংবাদ জানান তিনি। সামনেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, তার আগে করোনা এরকম একটা খবর হতাশাজনক।
বৃহস্পতিবার, ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা, হিক্সের করোনা পজিটিভ হওয়ার রিপোর্ট আসে। তিনি নির্বাচনের জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে সঙ্গেই ছিলেন। এরপরই নিজের ও স্ত্রী মেলানিয়ার করোনা পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেকথাও বৃহস্পতিবার টুইটে জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। এরপর শুক্রবার সকালে রিপোর্ট আসতেই তাঁর করোনার আক্রান্ত হওয়ার খবর টুইট করেন তিনি। তবে এখনও সেরকম তীব্র কোনও উপসর্গ দেখা দেয়নি বলেই জানা গেছে।
করোনা সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যার দিক দিয়ে আমেরিকা বিশ্বের প্রথম স্থানে রয়েছে। তবে দেশের এই পরিস্থিতির জন্য অনেকে সরকারের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন। সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে এই ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হত না বলেও মনে করেন অনেকে। আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রচার চালাচ্ছিলেন ট্রাম্প। সমস্ত বিধিনিষেধ, সামাজিক দুরত্ব শিকেয় তুলে নির্বাচনী প্রচারে প্রচুর মানুষকে জমায়েত হতে দেখা গেছে। এই নিয়েও নিন্দার ঝড় উঠেছে কূটনৈতিক মহলে।
তাছাড়া, প্রথম থেকে মাস্ক ব্যবহার করতেও দেখা যায়নি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। অবশেষে জুলাই মাসের মাঝের দিক থেকে মাস্ক পরা শুরু করেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে মাস্ক পরা নিয়ে রসিকতা করতেও শোনা গেছে তাঁকে। তাঁর মতে, মাস্ক পরলে তাঁর নিজেকে দুর্বল মনে হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও যুক্তিই ধোপে টিকলো না।
প্রসঙ্গত, করোনা অতিমারির জন্য প্রথম থেকেই বরাবর চীনের দিকেই আঙ্গুল তুলেছে আমেরিকা। এমনকি, এই ভাইরাসকে ‘চিনা ভাইরাস’ আখ্যা দেন ট্রাম্প। এই প্রসঙ্গে ফের একবার বেজিংকে শানিয়ে তিনি বলেন বেজিং অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে আমেরিকার। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্ব চিনের জন্য ভুগছে।





