সারা বিশ্ব এখন করোনা অতিমারীর সঙ্গে লড়াই করছে। এই ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পরা এখন বাধ্যতামূলক। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষেরই এখন মাস্ক পড়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এমনই একটি গ্রহাণু যাকে দেখে মনে হচ্ছে তার মুখেও বাঁধা রয়েছে মাস্ক।
২.৫ মাইল চওড়া গ্রহাণুটি ঘণ্টায় ১৯,৪৬১ মাইল বেগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। ২৯শে এপ্রিল, অর্থাৎ বুধবার ভোর ৫.৫৬ নাগাদ পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে গ্রহাণু ১৯৯৮ ওআর২।

নাসা সূত্রে জানা গেছে, গ্রহাণুটির সাইজ প্রায় মাউন্ট এভারেস্টের সমান। আকারে বৃহৎ এই গ্রহাণুর সামনের অংশে উঁচু রেখার মতো রয়েছে, যা দূর থেকে ‘মাস্কের মতো’ লাগছে দেখতে। আরও জানা গেছে, গ্রহাণুটির কোড নাম ৫২৭৬৮ এবং এটি শেষবার ১৯৯৮ সালে দেখা গিয়েছিল। পৃথিবী ঘেঁষে উড়ে যাওয়ার সময় পৃথিবী থেকে গ্রহাণুর দূরত্ব হবে ৩৯ লাখ কিলোমিটার। পৃথিবীর সঙ্গে ওআর২-এর সংঘর্ষের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, পৃথিবী স্পর্শ করবে না এই উল্কাপিণ্ড। তবে নিজেদের Near-Earth Asteroid Tracking সিস্টেমের মাধ্যমে উল্কাপিণ্ডের গতিবিধির উপর নজর রাখছে নাসা। পৃথিবী থেকে চাঁদের যা দূরত্ব তার থেকেও ১৬ গুণ দূর দিয়ে যাবে এটি। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যদি এটি পৃথিবীর সঙ্গে কোনোভাবে ধাক্কা খেত তাহলে পৃথিবীতে ভয়ংকর প্রভাব পড়তে পারতো। কিন্তু সেরকম কোনো সম্ভাবনা আপাতত নেই। মহাকাশ মহাকাশবিদরা জানিয়েছেন এই গ্রহাণুটির ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য এমনই যাতে দেখে মনে হচ্ছে এটিকে ফেস মাস্ক পড়ানো হয়েছে। আসলে এই গ্রহাণুটি পর্বতের মতো চড়াই-উৎরাইতে ভরা। আর সেই জন্যই এমন চেহারা তৈরি হয়েছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার