কাটল না একটি সপ্তাহও। নিজের দেশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রায় ১০০ জন জঙ্গির নাম প্রকাশ করে FATF ও রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে ভালো ইমেজ তৈরীর চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। জঙ্গিদের সেই তালিকায় নাম ছিল এক তালিবানি নেতারও। আর এবার সেই সন্ত্রাসবাদী নেতার কাছেই পৌঁছল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নিমন্ত্রণ পত্র। তাজ্জব বনে যাওয়ার মতোই বিষয় বটে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যে তালিবানের সঙ্গে আঁতাত গড়েই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর তখতে বিরাজ করেছিলেন ইমরান, সেই তালিবানের মূল কান্ডারী মোল্লা আবদুল গনি বরাদর। এই তালিবানি নেতা সহ হাক্কানি নেটওয়ার্কের একাধিক কুখ্যাত নামকে সন্ত্রাসবাদীর তালিকায় রেখেছে পাকিস্তান। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের হাত নিজেদের মাথায় ওপর কায়েম রাখতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছিল ইসলামাবাদ।
সূত্রের খবর তলিবানের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে এই বরাদর ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন সদ্য। দোহা থেকে আসা এই তালিবানি নেতাকে ইমরান খান ‘নিমন্ত্রণ’ জানিয়েছেন তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসবার জন্য। উল্লেখ্য, দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইমরান কিভাবে একজন জঙ্গিনেতাকে ‘নিমন্ত্রণ’ পাঠান, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তালিবান নেতা বরাদর ২০১০ সালে করাচি থেকে গ্রেফতার হয়েছিল। এরপর আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়ার মাঝে পড়ে পাকিস্তান তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়। এই তালিবান নেতার সঙ্গেই এককালে ট্রাম্প সরকার আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়ায় সমঝোতার রাস্তায় গিয়েছিল।
খবর আফগানিস্তানে শান্তি প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে দুই শিবিরের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের নিমন্ত্রণ পেয়েই এই তালিবান নেতা ইসলামাবাদে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।





