পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মোশারফকে ফাঁসির নির্দেশ দিল পাকিস্তানের বিশেষ আদালত। আদালত মৃত্যুদন্ডের রায়-এর কারণ হিসেবে জানায় যে, ২০০৭ সালে সাংবিধানিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার জন্যই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও পারভেজ মোশারফ আপাতত পাকিস্তানে থাকেন না। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি দুবাইয়ে পাকাপাকি ভাবে বসবাস করছেন।
তিনি পাকিস্তানে ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এই সময় রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারি করেন। এই কারণেই মোশারফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ।
২০১৩ সাল থেকেই চলছিল এই মামলার শুনানি। ৫ ডিসেম্বর ২০১৯-এ এই মামলার জন্য ৭৬ বছরের পারভেজ মোশারফকে বয়ান দেওয়ার নির্দেশ দেয় লাহোরের বিশেষ আদালত। কিন্তু এখন তিনি দুবাইয়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকায় বিশেষ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন করেন যে, তাঁর অনুপস্থিতিতে যেন মামলার কোন শুনানি না হয় কারণ তিনি এখন অসুস্থ। সুস্থ হয়ে তিনি আদালতে হাজির হবেন বলেও জানান মোশারফ। তাই আপাতত বিশেষ আদালতের রায় খারিজ করে দেওয়ার জন্যও লাহোর হাইকোর্টে আবেদন জানান তিনি। তবে তাঁর আবেদন নাকজ করে দিয়ে আদালত পারভেজ মোশারফকে মৃত্যুদন্ডের নির্দেশ দেয়।





