নবান্ন অভিযানে করোনার থেকেও ক্ষতিকর পদার্থ ছোঁড়া হয়েছিল, রাজনৈতিক ইতিহাসে কালো দিন বলে স্পিকারকে নালিশ বিজেপির

বাংলায় ভোটের আবহে এখন‌ও বিজেপির নবান্ন অভিযান উত্তাপ ছড়াচ্ছে। গণতন্ত্র ও সাংবিধানকে হত্যা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বলে সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেছিলেন যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য (Tejaswi Surya)। বিজেপি যুব মোর্চার বঙ্গ সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan) আবার দাবি করেছিলেন, নবান্ন অভিযানের সময় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ যে জল বিরোধীদলের উপর ছুঁড়েছিল তাতে করোনাভাইরাস মেশানো রাসায়নিক ছিল।

আর বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে এবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হল, তাদের ৫০০ জন কর্মী সেদিন পুলিশি অত্যাচারের শিকার হয়ে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছিলেন। এদিন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতৃত্বের তরফে লোকসভার স্পিকারের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন তেজস্বী সূর্য।

ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিস সুধীর কুমার নীলকন্টম, জোড়াসাঁকো থানার ওসি কুণাল আগরওয়াল, হাওড়ার পুলিস কমিশনারেট, কলকাতার পুলিস কমিশনার অনুজ শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি। নবান্ন অভিযানের দিন পুলিশের বিরুদ্ধে উঁচু জায়গা থেকে বোমা ছোঁড়ার মতো‌ গুরুতর অভিযোগও করে বিজেপি শিবির।

যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য বলেন, ”আমি, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও নিশীথ প্রামাণিক সেদিন হাওড়ার থানায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চেষ্টা করেও এফআইএর করাতে পারিনি। আমাদের ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়নি। পুলিশ কোনও কারণ ছাড়াই এফআইআর নিতে অস্বীকার করে। সেদিন থানায় লকেট চট্টোপাধ্যায় পর্যন্ত প্রহৃত হন। লোকসভার সাংসদদের খুনের চেষ্টা করা হয়।” তিনি জানিয়েছেন, লোকসভার স্পিকার এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে তদন্ত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

তেজস্বী আরও বলেন, ”আমি জানি না সেদিন যে জলকামানে পুলিস যে জল ব্যবহার করেছিল তাতে করোনার জীবাণু ছিল কি না! তবে তাতে করোনার থেকেও ক্ষতিকারক কোনও রাসায়নিক মেশানো ছিল।”

RELATED Articles