করোনা পজিটিভ রিপোর্ট শুনে এক রোগী সোজা হাজির হলেন থানায়। পরে তাঁকে হাসপাতালে পাঠিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয় থানা, তবু আতঙ্কে ভুগছেন পুলিশরা।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার সময় টালিগঞ্জ থানায় আসেন এক ব্যক্তি। থানায় প্রবেশের সময় তাঁর তাপমাত্রা পরীক্ষা করে কনস্টেবল বুঝতে পারেন, ওই ব্যক্তি জ্বরে ভুগছেন। তাকে এই বিষয় প্রশ্ন করলে তিনি জানান, এক বেসরকারি হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করতে দিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ফোনে তাকে জানানো হয়েছে যে তিনি করোনা আক্রান্ত। তাতে দিশেহারা হয়েই তিনি পুলিশের সাহায্য চাইতে এসেছেন।
তাঁর কথা শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে গোটা থানা। এরপর ওই ব্যক্তিকে থানা চত্বরের এককোণে গ্যারেজের পাশে একটি গাছতলায় বসতে বলা হয়। সাথে সাথে খবর পাঠানো হয় স্বাস্থ্য দফতরেও। অ্যাম্বুল্যান্স না আসা অবধি গোটা এলাকা ঘিরে রাখে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত তাকে নির্দিষ্ট কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ দিকে থানায় করোনা রোগীর আগমনে পুলিশকর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। তাকে যে গাছতলায় বসতে বলা হয়েছিল, সেই জায়গাও জীবাণুমুক্ত করা হয়। তবে যেহেতু ওই রোগী কারোর সরাসরি সংস্পর্শে আসেননি, তাই কোনও পুলিশকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানালেন এক শীর্ষকর্তা।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ দিন কলকাতা পুলিশের সহকারী কমিশনার (সাউথ ডিভিশন) মিরাজ খালিদ জানান, ‘মঙ্গলবার সকালে এক ব্যক্তি তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট শোনার পর পুলিশের কাছে সাহায্য চাইতে আসেন। এখান থেকে আমরা স্বাস্থ্য দফতরে যোগাযোগ করি এবং অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠাই। তারপর গোটা থানাকেই স্যানিটাইজ করা হয়েছে।’





