Delhi bla*st : জেলেই প্রাণে মা*রার চক্রান্ত! দিল্লি বিস্ফোরণে জঙ্গি চিকিৎসকের ওপর হামলা, প্রশ্ন জেলের নিরাপত্তা নিয়ে!

একটি অপ্রত্যাশিত ও বিপজ্জনক ঘটনার খবর আসছে দিল্লি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে, যেখানে জেল বন্দি জঙ্গি চিকিৎসক আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দের উপর জেলের অন্য তিন অভিযুক্ত ধৃত হামলা চালিয়েছে। চিকিৎসক সৈয়দের বিরুদ্ধে দিল্লি বিস্ফোরণ ও প্রাণঘাতী জৈব হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। তিন অভিযুক্ত ধৃত তাকে মাটিতে ফেলে পেটিয়ে গুরুতর আঘাত করেছে, যার ফলে তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং পরে আবার জেলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

চিকিৎসক আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দ পেশায় ডাক্তার হলেও তার কর্মকাণ্ড ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে তার যোগসূত্র পাওয়া গেছে এবং গুজরাট পুলিশের হাতে ধরা পড়ার আগেই সে জনসাধারণের পানীয় জলে বিষাক্ত রাসায়নিক ‘রাইসিন’ মিশিয়ে হত্যা করার পরিকল্পনা করছিল। স্থানীয় জেল সূত্রের খবর, সৈয়দকে মারধর করার কারণ হল তার পরিকল্পিত হত্যাচক্রান্তা ভারতের এবং গুজরাটের মানুষের বিরুদ্ধে, যা অন্য অভিযুক্তদের অজ্ঞাত ছিল। এই কারণে ওই ধৃতরা তাকে পিটিয়ে আহত করে।

ঘটনার সময় কারাগারের নিরাপত্তার দিক থেকে জেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং রায়পুর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। হামলাকারীদের নাম ধরা হয়েছে অনিল খুমান, শিবম ভার্মা ও অঙ্কিত লোধি হিসেবে। এই অপ্রত্যাশিত হামলার পর সৈয়দকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়, তার মাথা ও চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরে তাকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

শুধু দিল্লি বিস্ফোরণই নয়, সৈয়দ ও তার সহযোগীরা বড়সড় রাসায়নিক ও জৈব হামলার চক্রান্ত করছিল। সৈয়দ রেড়ি গাছ থেকে বিষাক্ত রেসিন সংগ্রহের কাজ করছিল এবং দিল্লির আজাদপুরের ফলের বাজার থেকে গুজরাটের আহমেদাবাদের ফলের মার্কেটে রেকি করে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

গুজরাট পুলিশের এটিএস-এর হাতে ধরা পড়ার আগে এই সন্ত্রাসী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই ব্যাহত হয়।এ ঘটনা প্রমাণ করে যে সমাজে এমন ভয়াবহ ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিরাও রয়েছেন যারা মানুষের জীবন বাঁচানোর পেশা গ্রহণের মাধ্যমে বিপজ্জনক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এফআইআর ও তদন্ত চলাকালীন জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ভাবার ব্যাপার সৃষ্টি হয়েছে, কারণ জেলের ভিতরেই এত বড় হামলার ঘটনা ঘটেছে যা প্রশাসনিক অনিয়মের প্রশ্ন তুলেছে।

আরও পড়ুনঃ India-pakistan : “অপারেশন সিঁদুর কেবল ট্রেলার ছিল”—ভারতের সেনাপ্রধানের মন্তব্য ঘিরে পাকিস্তানে তীব্র আতঙ্ক, সীমান্তে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা!

সুতরাং, দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম আসামি সৈয়দের জেলে হামলার ঘটনা নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। এটি শুধু নিহত সৈয়দের সমস্যা নয়, বরং পুরো তদন্ত প্রক্রিয়া ও জেল ব্যবস্থার দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তদন্ত রিপোর্টের ফলাফল মনোযোগ দিয়ে অপেক্ষা করা হচ্ছে যা এই ঘটনায় কারা দায়ী এবং নিরাপত্তায় কোথায় ঘাটতি ছিল তা স্পষ্ট করবে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles