বামপন্থীরা নিজেদেরকে শিক্ষিত বলে দাবি করেন চিরকাল ধরে তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কার্যকলাপ দেখে তাদের শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। এবার প্রখ্যাত সাংবাদিক মৌপিয়া নন্দীকে নজিরবিহীন আক্রমণ করা হল বাদকুল্লা বামপন্থী সমর্থক নামে একটি প্রোফাইল থেকে। যা নিয়ে প্রতিবাদে সরব হলেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সদস্যা রিমঝিম মিত্র।
মৌপিয়া সম্প্রতি একটি পোস্ট করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের “স্বাধীন ভারত অমর রহে” বক্তব্যের সমর্থনে। তাঁর বক্তব্য, “নামী প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি না থাকা বা তুখোড় ইংরাজি না বলতে পারা কোনো নেতা বা নেত্রী কিছু বললেই তা নিয়ে খিল্লি করার যে প্রবণতা তার মধ্যে একটা অবাঞ্ছিত এলিটিজম রয়েছে বলে আমি মনে করি।” এর বিরোধিতা করে ওই বামপন্থী প্রোফাইলের বক্তব্য, মৌপিয়া স্তাবকতা করেন। তাঁর মধ্যে মহিলাসুলভ বিশৃঙ্খলা রয়েছে।
এই ‘মহিলাসুলভ বিশৃঙ্খলা’ শব্দটি নিয়ে বয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। বিশৃঙ্খলার আবার লিঙ্গভেদ হয় একথা জানা ছিল না বলে মত রিমঝিমের। তিনি এর মানে বুঝিয়ে দিতে ফেমিনিস্ট বামপন্থী দাদা দিদিদের অনুরোধ জানিয়েছেন।
স্বাভাবিকভাবেই বাদকুল্লা বামপন্থী সমর্থকের এই মন্তব্য মেনে নিতে পারেননি অন্যান্য সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন মানুষরাও। তাদের কথায় সিপিএম বরাবর বিখ্যাত মহিলাদের অপমান করার জন্য। তাদের দলের নেতারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেত্রী ও মহিলাদের নিয়ে বিভিন্ন কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন। এছাড়াও মহিলাদের সঙ্গে অশ্লীল আচরণ এবং তাদেরকে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় বামপন্থী নেতারা সিদ্ধহস্ত। কিছুদিন আগেই ডিওয়াইএফআই নেতা ঋদ্ধ চৌধুরীর একটি বিকৃত ঘটনা সামনে এসেছিল। এই পোস্ট আরেকবার বুঝিয়ে দিল যে সিপিএমের চোখে মহিলারা আসলে কী।





