রাজ্য জুড়ে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত, লালবাজারে স্মারকলিপি জমা দিলেন সৌমিত্র খাঁ

যত বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা বাড়ছে। সম্প্রতি, উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ছড়িয়েছে প্রবল চাঞ্চল্য। দেবেন্দ্র বাবুর পরিবার ও বিজেপি’র তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে খুন করা হয়েছে দেবেন্দ্র বাবুকে। আর এই কাণ্ড ঘটিয়েছে শাসক শিবির। যদিও শাসক শিবির অভিযোগ মানতে নারাজ।

রাজ্য জুড়ে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত, লালবাজারে স্মারকলিপি জমা দিলেন সৌমিত্র খাঁ

সারা রাজ্য জুড়ে বিজেপি কর্মীদের ওপর রাজনৈতিক আক্রমণ হচ্ছে এই মর্মে কিছুক্ষণ আগে লালবাজারে স্মারকলিপি জমা দিলেন বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। আজকে গোটা দিন জুড়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন থানায় স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিল বিজেপি। সেইমত সকালবেলায় বালিগঞ্জ থানায় স্মারকলিপি জমা দেন বিজেপির মহিলা মোর্চা সভাপতি অগ্নিমিত্রা পল। বালি ও পার্ক স্ট্রীট থানায় স্মারকলিপি জমা করেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিং। এই রকম ভাবেই মোট দুশো আটটি থানায় আজকে স্মারকলিপি জমা করেছেন বিজেপি নেতৃত্বরা।

রাজ্য জুড়ে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত, লালবাজারে স্মারকলিপি জমা দিলেন সৌমিত্র খাঁ

এমনিতে সারা বছর ধরে বিজেপি ও তৃণমূল দলীয় কোন্দল লেগেই থাকে। সম্প্রতি বিজেপি বিধায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটনায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। গতকালই কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয় বিজেপির শীর্ষ নেতারা রাষ্ট্রপতি ভবনে রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করে একটি স্মারকলিপি দেন। সেই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে যে বিগত তিন বছর ধরে গোটা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ হানছেন। এতে তাদের প্রায় শতাধিক কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটের সময় তৃণমূল গুন্ডারা যেরকম ভাবে বিজেপি কর্মীদের খুন করেছিল উত্তর দিনাজপুরের বিধায়ক কে সেই একই কায়দায় খুন করা হয়েছে বলে এই স্মারকলিপিতে দাবি করেছে বিজেপি। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই তাই রাষ্ট্রপতি যেন এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেন এরকমই অনুরোধ করেছেন বিজেপি নেতারা।

অপরদিকে আজকে রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতারা এবং মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই ব্যাপারে যোগাযোগ করেছেন। তৃণমূলের পাল্টা দাবি যে বিজেপি কর্মীরা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষকে চাপা দিতে সমস্ত দোষ শিবিরের ঘাড়ে ফেলছে যা একেবারেই কাম্য নয়।

আরও অন্যান্য খবর