বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই বেহালা-পূর্বের দায়িত্ব থেকে সরে যান রত্না চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, পার্থ দা দায়িত্ব দিলেও একা এত বড় এলাকা সামলাতে পারছিলেন না তিনি। নিজের ওয়ার্ডেই সময় দিতে পারছিলেন না।
যদিও রাজনৈতিক মহল বলছে, তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তাই বেহালা পূর্বের দায়িত্ব থেকে রত্নাকে সরিয়ে শোভন ঘনিষ্ট সুশান্ত ঘোষকে ওই ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে সেকথা স্বীকার করছেন না তিনি। নিজেই দায়িত্ব ছেড়েছেন বলে দাবী রত্নার।
তিনি আরোও বলেছেন, তৃণমূলে ফিরলেও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জায়গা দিদির কাছে আগের মতো হবে না৷ পুরভোটে তাঁকে মেয়র প্রোজেক্ট করে এগোবে না দল। কারণ গত তিন বছর ধরে বাংলার মানুষ যেভাবে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে দেখেছে, তৃণমূলে যদি শোভন আবার ফিরেও আসে, তাহলে কি তার ইমেজ রাতারাতি বদলে যাবে?
রত্না যে ভুল বলছেন না তার সপক্ষে বেশ কিছু প্রমাণও আছে। যেমন রাজ্যের রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাস বলছে, নিজের ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডেই মানুষের মধ্যেই শোভনকে নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। বহুদিন ধরেই নিজের ওয়ার্ডে আসেননি তিনি। খোদ মেয়র ও ডেপুটি মেয়র এলাকা পরিদর্শনে এলেও রত্নাকে তাঁদের সঙ্গে দেখা যায়। কিন্তু আগে সাধারণ মানুষ চাইলেও পাওয়া যায়নি শোভনকে। উল্টে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় প্রাক্তন মেয়রের প্রতি ক্ষুব্ধ দলের অনেকেই।
তবে রত্নাদেবীর কথা থেকে অন্তত এটা পরিষ্কার হল যে বিজেপি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরেই ফিরছেন তিনি।





