পশ্চিমবঙ্গে আর্থিক দুর্নীতিতে শাসক দল অর্থাৎ তৃণমূলকে ছাপিয়ে এগিয়ে যাওয়া বড়ই দুষ্কর। কাটমানি নেওয়া থেকে কালোবাজারি সবেতেই আছে শাসক গোষ্ঠী। কিন্তু তা বলে ট্রেনের টিকিটেরও কালোবাজারি? ভেদাভেদ বলে কোন ব্যাপার নেই?
কিন্তু আর কি করার! শুক্রবার এই অভিযোগেই হাওড়া জেলার বেলুড় থেকে এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে আরপিএফ। অভিযোগ, মানুষের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে চড়া দামে স্পেশ্যাল ট্রেনের টিকিট বিক্রি করছিল সে।
শুক্রবার বেলুড়ের ধর্মতলা রোডে একটি সাইবার ক্যাফেতে হানা দিয়ে শুভজিৎ ঘোষ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে বালি আরপিএফ। সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে ইন্টারনেটে কাটা বেশ কিছু ট্রেনের টিকিট। ধৃত যুবক বালি যুব তৃণমূল নেতার ভাই।
আরপিএফের দাবি, বৈধ নথি ছাড়াই অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কেটে বিক্রি করছিলেন ওই যুবক। তার পর স্পেশ্যাল ট্রেনগুলির টিকিট চড়া দামে বিক্রি করছিলেন খোলা বাজারে। রেলের আইন অনুসারে যা সম্পূর্ণ অবৈধ। যদিও শুভজিতের অপকর্মের দায় নিতে চায়নি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের তরফে জানানো হয়েছে, অপরাধ করে থাকলে শাস্তি হোক।
তবে শুধু বালি নয়, গত কয়েকদিন ধরে হাওড়া শাখার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে আরপিএফ। একই অভিযোগে শুক্রবার হুগলির রিষড়া থেকে শামিম আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকেও বিপুল পরিমান ট্রেনের টিকিট উদ্ধার হয়েছে।





